
ঘন কুয়াশায় চাঁদপুরের মেঘনা নদীতে যাত্রীবাহী দুই লঞ্চের সংঘর্ষে সাতজন নিহত হয়েছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত দুইটার দিকে হাইমচর উপজেলা ও হরিণা এলাকার মাঝামাঝি স্থানে এ ঘটনা ঘটে।
দুর্ঘটনার পর লঞ্চের যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তদন্ত শুরু করেছে বলে জানা গেছে।
পরে দুর্ঘটনাকবলিত লঞ্চের হতাহত যাত্রীদের ঢাকার সদরঘাটে আনা হয়।
এ সম্পর্কে সদরঘাট নৌ থানার ইনচার্য সোহাগ রানা বলেন, লঞ্চে সংঘর্ষের ঘটনায় সাতজনের লাশ পাওয়া গেছে। আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন। খোঁজখবর নিয়ে বিস্তারিত জানানো হবে।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের চাঁদপুরের ট্রাফিক পরিদর্শক বাবুলাল বৈদ্য বলেন, দুই লঞ্চের সংঘর্ষে ঘটনাস্থলে একজন নিহত হন। পরে আরও একজন মারা যান। তাৎক্ষণিকভাবে তাঁদের নাম–পরিচয় জানাতে পারেননি তিনি।
বাবুলাল বৈদ্য জানান, ভোলার ঘোষেরহাট থেকে ছেড়ে আসা ঢাকা অভিমুখী এমভি জাকির সম্রাট-৩ লঞ্চটি গতকাল রাত দুইটার পর হাইমচর এলাকা অতিক্রম করছিল। এ সময় নদীতে ঘন কুয়াশা ছিল। ঢাকা থেকে বরিশালগামী এমভি অ্যাডভেঞ্চার-৯ লঞ্চের সঙ্গে ওই লঞ্চের সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই একজন নিহত হন। আরেকটি যাত্রীবাহী লঞ্চ এমভি কর্ণফুলী-৯–এর মাধ্যমে জাকির সম্রাট-৩–এর যাত্রীদের ঢাকায় পাঠানো হয়। পথে আরও এক যাত্রীর মৃত্যু হয়।
দেশপক্ষ/ এমএইচ