ঢাকা, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬, ৮:৪২ পূর্বাহ্ন

ফেল করা ছাত্র এখন বিট্রিশ ইউনির্ভাসিটি চান্স পেয়ে উচ্ছ্বসিত

কুমিল্লার মুরাদনগর হাজী আতিকুর রহমানের ছেলে সাহসী যুবকের নাম মামুন হাসান, তিনি একাধিকবার ফেল করেও মানসিক ভাবে ভেঙ্গে না পড়ে বা আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়নি বলেই আজ তিনি বিট্রিশ ইউনির্ভাসিটি UCLan Cyprus এর শাখা, যা একটি ব্রিটিশ বিশ্ববিদ্যালয় চান্স পেয়ে পরিবারবর্গ এবং এলাকার মানুষ আনন্দিত।

তিনি এইচএসসি পরীক্ষায় ফেল করে এবং একাধিকবার আইএলটিএস দিয়ে ফেল করে থাকেন। তারপরও হাড় না মেনে পরাজয় মনে না করেও সফলতা পেয়েছেন। ফেল করা ছাত্রের ব্রিটিশ ইউনিভার্সিটিতে সুযোগ পাওয়া খুবই আনন্দের এবং এটি প্রমাণ করে যে অতীতের খারাপ ফল জীবনের শেষ নয়, বরং সঠিক প্রস্তুতি ও চেষ্টার মাধ্যমে বিদেশে উচ্চশিক্ষা লাভ করা সম্ভব, যা তাকে উচ্ছ্বসিত করেছে এবং তার নতুন জীবনের স্বপ্ন পূরণের পথে এগিয়ে নিয়ে গেছে, অনেকে পরীক্ষায় রেজাল্ট খারাপ করে মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে অনেক শিক্ষার্থী। মনমতো ফল না পেয়ে অনেকে আত্মহত্যার পথ বেছে নেন। প্রতিবার পরীক্ষার পরই সারাদেশে আত্মহত্যার প্রবণতা দেখা যায়, যা ক্রমেই বাড়ছে। পরীক্ষায় ফেল করা মানে জীবনের শেষ নয়, বরং এটি একটি শেখার অভিজ্ঞতা আমাদের উচিত মামুন হাসান থেকে অনুপ্রাণিত হওয়া।

আমাদের শক্তিশালী করে তোলে; অনেক সফল ব্যক্তি ব্যর্থতার মধ্য দিয়েই পথচলা শুরু করেছেন, তাই ফেল করাকে চূড়ান্ত পরাজয় না ভেবে ঘুরে দাঁড়ানোর প্রেরণা হিসেবে নেওয়া উচিত, কারণ ব্যর্থতা কেবল একটি সাময়িক বাধা, জীবনের সম্পূর্ণ চিত্র নয়। আমরা সবসময় সাফল্যের গল্প সামনে নিয়ে আসি, কিন্তু যেসব শিক্ষার্থী পিছিয়ে পড়ে, তারা কেন অকৃতকার্য হলো, সেই প্রশ্নটা খুব কমই করি। এর পেছনে কি মানসিক চাপ, পারিবারিক সহানুভূতির অভাব, না কি আরও গভীর কোনো সামাজিক কাঠামোগত সমস্যা আছে, সে বিষয়ে আমাদের গবেষণা বা কার্যকর উদ্যোগ খুবই সীমিত।

মনেরোগ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, খারাপ ফল করলে বা কোনো বিপর্যয়ের মুখে পড়লে সবাই আত্মহত্যার পথ বেছে নেয় না। যারা এ পথে পা বাড়ায়, তারা রিস্ক গ্রুপ। তারা বেশি আবেগপ্রবণ এবং মানসিক অস্থিরতায় ধ্বংসাত্মক সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলে। এ ক্ষেত্রে বাবা-মা ও পরিবারের সদস্য এবং শিক্ষকদের ভূমিকা রাখতে হবে।

শুধু বাবা-মা নয়, শিক্ষকদেরও অনুপ্রেরণামূলক কথা বলতে হবে। তাদের ইমোশনালি স্ট্রাগল বা সেলফ স্টিম বা আত্মবিশ্বাসের জায়গাগুলোতে নিয়ে সচেতন থাকতে হবে। তাহলে এ ধরনের ঘটনা কমে যাবে বলে মনে করছেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞগণ।

দেশপক্ষ/ এমএইচ

নিউজটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

ট্যাগঃ