
পবিত্র রমজানকে কেন্দ্র করে বিশেষ কৌশলে এগোচ্ছে গণঅভূত্থানে ক্ষমতাচ্যুত দল আওয়ামী লীগ। টাগের্ট একটাই। সকল বাধা বিপত্তি পেরিয়ে আবারও রাজনীতিতে ফেরা। এরইমধ্যে সারাদেশের বিভিন্ন জেলা-উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে একে একে খুলছে দলীয় কার্যালয়। সর্বশেষ মহান ২১ ফেব্রুয়ারি শহীদ বেধিতে দলীয়প্রধান শেখ হাসিনার পক্ষে শ্রদ্ধা নিবেদন করে ছাত্র-জনতা।
তবে দলের নির্দেশে, নাকি ব্যক্তিগত উদ্যোগে তারা এ ধরনের তৎপরতা চালাচ্ছেন, নাকি এর পেছনে বিএনপি বা জামায়াত বা অন্য কারো সঙ্গে কোনো সমঝোতা আছে এমন প্রশ্নও ঘুরপাক খাচ্ছে রাজনীতিক মহলে। তবে নির্বাচনের পরপরই নেতাকর্মীরা ঢাকাসহ বেশ কিছু জেলা ও উপজেলায় আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয় খুলে প্রবেশ করেছে বা প্রবেশের চেষ্টা করেছে। আবার কিছু জায়গায় কার্যালয় খোলার পরপর পাল্টা দখল ও হামলারও ঘটনা ঘটেছে। এ ধরনের তৎপরতার পেছনে কারণ কী, অনেকের মধ্যে এ নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।
দলীয় সূত্রগুলো জানিয়েছে, শেখ হাসিনা বিভিন্ন অ্যাপ ব্যবহার করে নিয়মিত তৃণমূল নেতাদের সাথে যেসব আলোচনা করেন সেখানেই তিনি কার্যালয়ে যাওয়ার বিষয়ে এ পরামর্শ দিয়েছেন। রমজান মাস ঘিরে তৎপরতা বাড়িয়েছে ক্ষমতাচ্যুত দল আওয়ামী লীগ। বিষয়টি সরকারকে অবগত করা হয়েছে আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার পক্ষ থেকে। তবে সরকারের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে এখনো সুনির্দিষ্ট কোনো দিকনির্দেশনা পাওয়া যায়নি। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এখন মূলত সরকারের নির্দেশনার অপেক্ষায় আছে।
সূত্র জানায়, রমজান ঘিরে বিশেষ পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে আওয়ামী লীগ। এ পরিকল্পনার আওতায় দলীয় কার্যক্রম জোরদার করতে চায় দলটি। ইফতার মাহফিল বা গরিব-দুঃখীর মধ্যে ইফতার সামগ্রী বিতরণের নামে দলীয় কার্যালয় খোলা হয়েছে বেশ কয়েকটি স্থানে। এসব স্থান থেকে চলছে নানা তৎপরতা। বুধবার দেশের বিভিন্ন স্থানে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম ছিল চোখে পড়ার মতো। আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের পর রাজধানীসহ সারা দেশের বিভিন্ন স্থানে রাজনৈতিক দলগুলোর নেতাকর্মীরা ছিল আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে সোচ্চার। মূলত তাদের বাধার কারণেই মাঠে নামতে পারেনি আওয়ামী লীগ। কিন্তু গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটদানকে কেন্দ্র করে স্থানীয়ভাবে প্রকাশ্যে আসার সুযোগ পান আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। তাদের কেউ জামায়াত জোট, আবার কেউ বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের পক্ষে কাজ করেছেন। এ কারণে নির্বাচনে অংশ নেওয়া রাজনৈতিক দলগুলো এখন আওয়ামী লীগের কার্যক্রমে বাধা দিচ্ছে না।
আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার প্রজ্ঞাপনের শেষ দিকে উল্লেখ করা হয়েছিল, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এবং এর সকল অঙ্গসংগঠন, সহযোগী সংগঠন ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচারকার্য সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এবং এর সকল অঙ্গসংগঠন, সহযোগী সংগঠন ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন কর্তৃক যে কোনো ধরনের প্রকাশনা, গণমাধ্যম, অনলাইন ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যে কোনো ধরনের প্রচারণা, মিছিল, সভা-সমাবেশ, সম্মেলন আয়োজনসহ যাবতীয় কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হলো। তবে ইউনূস সরকারের সময়েও দলটির নেতাকর্মীরা ঢাকাসহ বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন সময়ে বিচ্ছিন্নভাবে ‘ঝটিকা মিছিল’ বের করেছেন। এছাড়া দলটির অনেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দলের পক্ষে ও সরকারের বিপক্ষে মতামত বা প্রচারণা চালিয়ে আসছে। নির্বাচন কমিশন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার পর সামাজিক মাধ্যমে তাদের ‘নো বোট, নো ভোট’ প্রচারণাও অনেকের চোখে পড়েছে।
২০২৪ সালের অগাস্টের পর নিজ জেলায় অবস্থান করতে পারেননি রিহান সরদার নামে ছাত্রলীগের একজন কর্মী। এরপর ঢাকায় অবস্থান নিয়ে ঝটিকা মিছিলসহ নিজেদের উদ্যোগেই নানা কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে আসছেন বলে জানান তিনি।
রিহান সরদার জানান, তারা দলীয় প্রধান শেখ হাসিনারই একটি বার্তা পেয়েছেন, যেখানে তিনি সারাদেশে যার যেখানে সম্ভব দলীয় কার্যালয়ে যাওয়ার কথা বলেছেন। মূলত এরপর থেকেই সব জায়গায় এ চেষ্টা করা হচ্ছে। ব্যক্তিগত বা সাংগঠনিক, যে যেভাবে পারছে, সেভাবেই যাচ্ছে। গত ১৫ ফেব্রুয়ারি ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে যাওয়ার কর্মসূচি দিয়ে সেখানে গিয়ে মারধরের শিকার হয়েছেন ঢাবির সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আ ক ম জামাল উদ্দিন। এছাড়াও দলটির কয়েকটি জেলার নেতাকর্মীদের সাথে আলাপ করে জানা গেছে, নির্বাচনের আগে দেশের বিভিন্ন জায়গায় বিএনপি বা জামায়াতের প্রভাবশালী নেতারা নিজেরাই উদ্যোগী হয়ে ভোটের সমর্থনের আশায় আওয়ামী লীগের স্থানীয় জনপ্রিয় নেতাদের সাথে যোগাযোগ করেছেন। সে সময়ই অনেক জায়গায় আওয়ামী লীগের ওই নেতারা নির্বাচনের পর তাদের কার্যালয় খুলতে দেওয়া হবে কিংবা বাধা দেওয়া হবে না-এমন আশ্বাস পেয়েছেন। তবে কোনো কোনো জায়গায় আশ্বাস দেওয়া বিএনপি ও জামায়াতের নেতাদের নিজ দলীয় প্রতিপক্ষ গ্রুপ এখন আবার তাতে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে বলেও জানা যাচ্ছে। ফলে কার্যালয় খোলার পরেও কয়েকটি জায়গায় আবার হামলা বা ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।
এ বিষয়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষক জোবাইদা নাসরীন বলেছেন, নির্বাচনের পর যেসব জায়গায় আওয়ামী লীগের কার্যালয় খোলার তথ্য এসেছে সেখানে অনেক জায়গাতেই স্থানীয় বিএনপি নেতাদের সহযোগিতার বিষয়টি সামনে এসেছে। আমার মনে হয় নির্বাচিত সরকার এসেছে এবং এখন তাদের কাছে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা গুরুত্ব পাবে। আওয়ামী লীগকে ছাড়া বিগত সরকার নির্বাচন করে গেছে। দলটির কর্মী-সমর্থকরা দেশে আছে এবং অনেকে কারাগারে। সব মিলিয়ে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার স্বার্থে দলটির কার্যালয় খোলা বা স্বাভাবিক রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সুযোগ পেলে তা ইতিবাচকই হবে। একইসুরে কথা বলেছেন ঢাবির শিক্ষক মোহাম্মদ মজিবুর রহমান। তিনি বলেন, নির্বাচিত সরকার আসার পর আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রম আবার শুরুর একটি প্রক্রিয়ার হয়তো সূচনা হয়েছে কার্যালয় খোলার তৎপরতার মাধ্যমে। গত সরকার আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে নির্বাচনে অংশ নিতে দেয়নি। কিন্তু তার মানে এই না যে দলটি সবসময় নিষিদ্ধ থাকবে। আবার আওয়ামী লীগ অন্তর্বর্তী সরকারকে গ্রহণ করেনি, কিন্তু নির্বাচিত সরকারকে তারা প্রত্যাখ্যানও করেনি। তাছাড়া বিভিন্ন দলকে স্বাভাবিক রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সুযোগ দেওয়ার উদাহরণ বিএনপির আগেও আছে।
আত্মগোপনে থাকা দলটির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বলছেন, দলের কার্যালয় নিষিদ্ধ বা বাজেয়াপ্ত করা হয়নি বলে দলের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের সেখানে যেতে বাধা নেই বলেই মনে করেন তারা। এখানে নির্দেশনা বা সমঝোতার কিছু নেই। কর্মী-সমর্থকরা দলীয় কার্যালয়ে যাবে এটাই স্বাভাবিক। ইউনূসের অবৈধ সরকারের বিদায়ের পর দেশের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে এবং স্বাভাবিক রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড সবার জন্য উন্মুক্ত হবে এটা আশা করে তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকরা দলীয় কার্যালয়ে যাচ্ছে বা যেতে চাইছে। বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন, তারা আশা করছেন এসব বিপত্তি কেটে যাবে এবং সরকার শিগগিরই আওয়ামী লীগের কার্যক্রমের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেবে।
অন্তবর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মেয়াদ রোববার শেষ হয়েছে। প্রায় ১৮ মাস পর নিজের আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনা ছেড়ে গুলশানে নিজের বাসভবনে উঠবেন তিনি। কিন্তু তার সরকারের সময় সন্ত্রাসী দল হিসেবে কার্যক্রম স্বগিত করে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীণ সরকার। এরপর একে একে দলটির যুবলীগ-ছাত্রলীগ,শ্রমিক লীগ ও কৃষকলীগসহ আওয়ামী লীগের সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করা হয়। বাদ যায়নি শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের মন্ত্রী-এমপি এবং দলের শীর্ষ পর্যায়ের নেতারাও। জীবন বাঁচাতে অনেকে আত্মগোপনে কিংবা দেশ ছেড়ে পাশ্ববর্তী দেশে আশ্রয় নেয়। তবে আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনা ছাড়বেন অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি যমুনা ছেড়ে গুলশানে নিজের বাসভবনে উঠবেন। রোববার অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন শেষে, প্রায় ১৮ মাস পর নিজের পুরোনো কর্মস্থল ইউনূস সেন্টারে ফিরেছেন তিনি। ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ৮ আগস্ট ড. ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। প্রায় দেড় বছর দায়িত্ব পালনের পর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী নতুন সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের মাধ্যমে সেই অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটে।
তবে সদ্য সাবেক প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার ২০২৪ সালের অগাস্টে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গ, সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সব সংগঠনের কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে। এবার নিষিদ্ধ করার পেছনে যেসব কারণ বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে সেগুলো তুলে ধরে সরকার। তবে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করেই বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে মাঝে মধ্যেই ঝটিকা মিছিলসহ নানা তৎপরতা চালিয়েছে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। সর্বশেষ অমন একুশে ফেব্রুয়ারি প্রভাত ফেব্রুয়ারিতে শহীদ বেধিতে ছাত্র-জনতার একত্রিত হয়ে জযবাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু…শেখ হাসিনা আসবে,বাংলাদেশ হাসবে,স্লোগানও দেয়া হয়। শুধু তাই নয়,এদিন জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় অবিচল ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে) নেতৃবৃন্দ এক মানববন্ধন করে। ১৮ মাস ধরে তালাবদ্ধ ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে) কার্যালয় খোলে দেয়া এবং অন্তবর্তীকালীন সরকারের সময় কারাবন্ধী সকল সাংবাদিকদের মুক্তি দেয়ার দাবিতে নানা ধরনের স্লোগান দেয় সাংবাদিকরা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের কোষাধ্যক্ষ সোহেলী চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম মুজতবা ধ্রুব, আইন সম্পাদক আসাদুর রহমান, সাংবাদিক রহিমা খান, সাজেদা হকসহ আরও অনেকে। এরআগে ২১ ফেব্রুয়ারি গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়েছে। দীর্ঘ ১৮ মাস পর শনিবার সকালে উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের সামনে এ পতাকা উড়তে দেখা গেছে। এনিয়ে একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
ভিডিও ও স্থানীয়দের দেওয়া তথ্যে জানা যায়, কাশিয়ানী সদর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ইউপি সদস্য হাসানুর রহমান হাসু কয়েকজন দিনমজুর নিয়ে এ পতাকা উত্তোলন করেছেন। পরে কার্যালয়ের সামনে এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবির ওপর জমে থাকা ধুলাবালি পরিষ্কার করেন তারা।
এ সময় তারা ‘জয় বাংলা’ সহ বিভিন্ন দলীয় স্লোগান দেন। এ বিষয়ে চেষ্টা করেও ইউপি সদস্য হাসানুর রহমান হাসুর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তার মোবাইলে কল করা হলে স্ত্রী কাকলি খাতুন রিসিভ করেন। তিনি জানান, তার স্বামী বাড়িতে নেই। তবে তার স্বামী দলীয় অফিসে পতাকা উত্তোলন করেছেন বলে নিশ্চিত করেন তিনি। এতে স্বামীর কোনো সমস্যা হবে কিনা তা নিয়েও শঙ্কা প্রকাশ করেন এই গৃহবধূ।
এছাড়াও নারায়ণগঞ্জ আওয়ামী লীগের জেলা ও মহানগর কার্যালয়ের সামনে ব্যানার টানানো হয়েছে। দেওয়া হয়েছে আওয়ামী লীগের নামে স্লোগান। গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া কার্যালয়ে দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। চট্টগ্রাম যুবলীগের উদ্যোগে কারাবন্দিদের পরিবারের সদস্যদের মধ্যে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। চট্টগ্রাম ছাত্রলীগের উদ্যোগে মহানগর আওয়ামী লীগের অফিস উদ্বোধন করা হয়েছে। ময়মনসিংহের তারাকান্দায় হয়েছে কর্মী-সমর্থকদের জমায়েত। দিনাজপুরের পার্বতীপুরে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের উদ্যোগে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়েছে। শরীয়তপুরে ছাত্রলীগের উদ্যোগে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে দলীয় কার্যালয় উন্মুক্ত করা হয়।
দেশপক্ষ/ এমএইচ