
পে স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারী কল্যাণ সমিতি। সংগঠনটি বলছে, দেশের ৬৪ জেলায় গণতান্ত্রিক ও শান্তিপূর্ণভাবে এই কর্মসূচি পালিত হবে।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) এক বিবৃতিতে সংগঠনের আহ্বায়ক আবদুল মালেক জানান, ৯ম পে স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহেই কর্মসূচি শুরু হবে। তিনি বলেন, আংশিকভাবে হলেও পে স্কেল বাস্তবায়ন করা ২২ লাখ সরকারি কর্মচারী ও তাদের পরিবারের দীর্ঘদিনের দাবি।
বিবৃতিতে বলা হয়, ২০১৫ সালে তৎকালীন সরকার টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড প্রথা বাতিল করে কর্মচারীদের ন্যায্য সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত করেছে। এর ফলে পদোন্নতিবঞ্চিত ও ব্লক পোস্টধারী অনেক কর্মচারী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। নতুন গ্রেড প্রথাকে ‘অপর্যাপ্ত’ বলেও উল্লেখ করা হয়।
সংগঠনটির দাবি, ২০১৫ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত সময়ে পে স্কেল বাস্তবায়ন না হওয়ায় এবং দ্রব্যমূল্যের সঙ্গে বেতন সমন্বয় না করায় কর্মচারীরা চাপে পড়েছেন। পরে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ৯ম জাতীয় পে কমিশন গঠন করে সুপারিশ দিলেও তা এখনো বাস্তবায়িত হয়নি।
আবদুল মালেক বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার চাইলে প্রজ্ঞাপন জারি করে পে স্কেল বাস্তবায়ন করতে পারত। তবে বিষয়টি নির্বাচিত সরকারের ওপর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, বাজারে মূল্যস্ফীতির ঊর্ধ্বগতির কারণে নিম্ন বেতনভুক্ত কর্মচারীরা মানবেতর জীবনযাপন করছেন। এ অবস্থায় ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে ৯ম পে স্কেলের জন্য বরাদ্দ রেখে অন্তত আংশিক বাস্তবায়নের দাবি জানান তিনি।
বিবৃতিতে আসন্ন নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে তারেক রহমান-এর নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়। পে স্কেল বাস্তবায়নে তিনি কী পদক্ষেপ নেন, সেটিই এখন দেখার বিষয় বলে মন্তব্য করেন সংগঠনের আহ্বায়ক।
দেশপক্ষ/ এমএইচ