
শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান, বিশিষ্ট নারীনেত্রী ও শিক্ষানুরাগী সুলতানা রাজিয়া মনি বলেছেন, নড়িয়াকে বাঁচাতে পদ্মা নদী থেকে বালু উত্তোলন অতিদ্রুত বন্ধ করুন। পদ্মার ভয়াল ভাঙনের কথা আমাদের সকলেরই মনে আছে৷ ২০১৮ সাল পর্যন্ত নড়িয়ার হাজার হাজার বাড়িঘর, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, কৃষিজমি সহ বিভিন্ন স্থাপনা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গিয়েছিল। তখন বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার সুদৃঢ় পদক্ষেপের কারণে ও তৎকালীন শরীয়তপুর-২ (নড়িয়া-সখিপুর) আসনের সংসদ সদস্য ও পানি সম্পদ উপমন্ত্রী জননেতা একেএম এনামুল হক শামীমের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় ৫০ বছরের ভাঙন কবলিত নড়িয়ার ভাঙনরোধ সম্ভব হয়েছে। বেড়িবাঁধ হয়েছে, পর্যটন কেন্দ্র “জয়বাংলা” এভিনিউ হয়েছে।
শুক্রবার (২২ মে) বিকালে তিনি তার ভেরিফাই ফেসবুক একাউন্টে এ পোস্ট করেন।
এতে তিনি বলেন, জননেতা এনামুল হক শামীম জীবনের ঝুঁকি নিয়ে শ্রমিকের মতো কাজ করে শরীয়তপুরবাসীকে উপহার দিয়েছে জয় বাংলা এভিনিউ (নড়িয়া), স্বাধীন বাংলা এভিনিউ (নওপাড়া- চরআত্রা), সোনার বাংলা এভিনিউ (সখিপুর), রূপসী বাংলা এভিনিউ (জাজিরা), কীর্তিনাশা নদীর দুই তীরে নড়িয়া থেকে শরীয়তপুর হয়ে কালকিনি পর্যন্ত (কীর্তিনাশা প্রকল্প)। এর মধ্যে সোনার বাংলা এভিনিউ (সখিপুর), রূপসী বাংলা এভিনিউ (জাজিরা) প্রকল্প এর কাজ বর্তমানে চলমান রয়েছে এবং নদী ভাঙ্গনের হাত থেকে কাঁচিকাটাকে রক্ষা করার জন্য ৫০ কোটি টাকার প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছিল।
এই নারীনেত্রী বলেন, বেশ কিছুদিন ধরে একটি মহল নড়িয়ায় পদ্মা নদীতে নিয়মবহির্ভূতভাবে প্রকাশ্যে বালু উত্তোলনের মহোৎসবে মেতেছে। এতে নড়িয়া, জাজিরা, কাঁচিকাটা, চরআত্রা-নওপাড়া এর নদীতীরবর্তী বেড়িবাঁধ, বসতঘর ও বিস্তীর্ণ ফসলি জমি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়ার চরম ঝুঁকিতে পড়েছে। বিশেষ করে নদী থেকে গভীরভাবে বালু উত্তোলনের কারণে আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন সমগ্র শরীয়তপুরের নদী ভাঙ্গন কবলিত এলাকার মানুষ।
সবশেষে তিনি বলেন, প্রশাসনের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছি, অতি দ্রুত এ বালু উত্তোলনের মহোৎসব বন্ধ করে নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়া থেকে শরীয়তপুরবাসীকে রক্ষা করুন।
-নি/ এমএইচ