
অফিসে বসে মদ্যপান, সহকর্মীদের সাথে মারামারি, নারী কেলেঙ্কারি এবং চায়ের দাওয়াতের নামে কলেজের অধ্যক্ষের কাছে প্রকাশ্যে মোটা অঙ্কের ঘুষ দাবি। এমন গুরুতর অভিযোগে ওএসডি ২০২৫ সালে জানুয়ারিতে ওএসডি হন বিতর্কিত শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তা মো. আবুয়াল কায়সার। দেড় বছরের মাথায় তাকে আবারও শিক্ষা প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদে পদায়ন করা হয়েছে। নানা অভিযোগ থাকার পরও শিক্ষার ঘুষের হাট খ্যাত পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের (ডিআইএ) সাবেক এ যুগ্ম-পরিচালকের পদ হারানো কায়সারকে আরেকটি ‘ঘুষের দুর্গ’ মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ (মাউশি) ঢাকা অঞ্চলের উপ-পরিচালক (কলেজ) পদে পদায়ন করা হয়েছে। তার এমন নাটকীয় পুনর্বাসনে শিক্ষা প্রশাসনের ভেতরে-বাইরে তীব্র ক্ষোভ, চাঞ্চল্য ও চরম অসন্তোষের সৃষ্টি হয়েছে।
শিক্ষা প্রশাসন সূত্রমতে, ২০২৪ সালে ৫ আগস্টে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর জামায়াতপন্থী শিক্ষা সচিব শেখ আব্দুল রশিদের হাতে ধরে পদায়ণ পান ডিআইএ-তে। ওই সময় তিনি নিজেকে বিএনপিপন্থী অফিস পরিচয় দিয়ে এ পদায়ণ ভাগিয়ে নেন। এর পরপরই ঘুষের টাকা ভাগবোটোয়া নিয়ে দপ্তরটি পরিচালক অধ্যাপক কাজী কাইয়ুম শিশিরের সঙ্গে বিবাদে জড়ায়। পরিচালককের রুমে একদিন মারামারি শুরু করলে কর্মচারীরা তাদের নিবৃত্ত করেন। এর মধ্যে পরিচালককে অন্যত্র সরিয়ে দেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। কাজী কাইয়ুম শিশির মন্ত্রণালয়ের সেই আদেশে বিরদ্ধে মামলা করেন যা শিক্ষা ক্যাডারে নজিরবিহীন। এরপর তিনি দপ্তর আসার চেষ্টা করলে আবুয়াল কায়সার তাকে আটকে লোক ভাড়া করেন এবং ওই সময় শাহবাগ থানায় একটি সাধারণ ডায়রিও করেন। এমন নজিরবিহীন কাণ্ডে বিব্রত শিক্ষা মন্ত্রণালয় পুরো দপ্তরটি ব্যাপক রদবদল করে। পরিচালক বদলি হওয়ার কায়সার ঘুষের হাটের একক নিয়ন্ত্রন নেন এবং বেপরোয়া হয়ে উঠেন। দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অডিট করানোর নামে পরিদর্শন ও সহকারি পরিদর্শনদের কাছে ট্যুর বিক্রি শূরু করেন। ওই সময় চাউর ছিল মাধ্যমিক স্কুল ২ লাখ, কলেজ আড়াই লাখ, ডিগ্রি ও অর্নাস কলেজ ৩ থেকে সাড়ে তিন লাখ টাকায় বিক্রি করতেন।
এছাড়াও মাদ্রাসা ও কারিগরি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী অনুপাতে দেড় থেকে ৪ লাখ টাকা হাকাতেন। শুধু তাই নয়, তিনি বড় বড় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নিস্প্রতি হওয়া ফাইল পূর্ণরায় তদন্ত করার জন্য ফাইল মুভমেন্ট করানো শুর করেন। এটা শুনার পর ওই প্রতিষ্ঠান এসে বস্তা ভরে তাকে টাকা দিয়ে যেত। রাজধানী গোরানে একটি প্রতিষ্ঠান থেকে তিনি ১৫ লাখ টাকা নেন বলে মন্ত্রণালয়ে অভিযোগ পড়ে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও ডিআইএ সূত্র জানিয়েছে, আবুয়াল কায়সারের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও নৈতিক স্খলনের এক দীর্ঘ তালিকা রয়েছে। তার মধ্যে অন্যতম অভিযোগ ডিআইএ-তে কর্মরত থাকাকালীন এক নারী কর্মকর্তাকে নিয়ে দীর্ঘ সফরে (লং ট্যুর) যাওয়া এবং অফিসের কক্ষ বন্ধ করে আপত্তিকর অবস্থায় থাকার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
রাজধানীর একটি কলেজের একটি নিষ্পত্তি হয়ে যাওয়া ফাইল পুনরায় তদন্ত করার ভয় দেখিয়ে ১৫ লাখ টাকা ঘুষ দাবি করার অভিযোগ। ডিআইএ-র তৎকালীন পরিচালক কাজী কাইয়ুম শিশিরের সঙ্গে ঘুষের টাকা ভাগাভাগি নিয়ে আবুয়াল কায়সারের চরম বিরোধ তৈরি হয়। একপর্যায়ে দুই কর্মকর্তার কক্ষের ভেতরে কর্মচারীরা মারামারিতে লিপ্ত হলে অন্য সহকর্মীরা গিয়ে তাদের নিবৃত্ত করেন। এসব অভিযোগ উঠার পর ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে তাকে ওএসডি করার পর তার বিরুদ্ধে তদন্তের একটি ফাইল তোলা হয়।
অভিযোগ রয়েছে, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কলেজ শাখার তৎকালীন জামায়াতপন্থী যুগ্ম সচিব মো. নুরুজ্জামানকে মোটা অঙ্কের ঘুষ দিয়ে সেই তদন্ত প্রক্রিয়া আটকে দেন কায়সার। সবচেয়ে বড় অভিযোগ ছিল, তিনি অফিসে বসে মদ্যপ অবস্থায় থাকতেন এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করতেন। অডিও ফাঁসের পর বিব্রত হয় মন্ত্রণাালয় ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসে টাঙ্গাইলের শহীদ ভবানী প্রসাদ সাহা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. আব্দুল মান্নানকে ফোন করে অনৈতিক সুবিধা চান আবুয়াল কায়সাল। তিনি ওই অধ্যক্ষকে গোপনে দেখা করার প্রস্তাব দেওয়ার একটি অডিও রেকর্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফাঁস হয়।
ফাঁস হওয়া কথোপকথনে কায়সারকে বলতে শোনা যায়আপনার বিরুদ্ধে একটা অভিযোগ এসেছে, এখনো কিন্তু জমা নিইনি। সব তথ্যই আমার কাছে আছে…আপনার বাসা কি উত্তরায়? আসুন দুজনে বসে এক কাপ চা বা কফি খাই, কথা বলি। অধ্যক্ষ তার এই অনৈতিক প্রস্তাবে সাড়া না দেওয়ায় কায়সার তাকে চরম অশালীন ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং ডিবি ও ডিআইজি বন্ধুর ভয় দেখিয়ে ‘দেখে নেওয়ার’ হুমকি দেন। এই ঘটনায় দেশজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি হলে ২০২৫ সালের ২০ জানুয়ারি শিক্ষা মন্ত্রণালয় এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তাকে ওএসডি করা হয়। ঘুষের ‘স্বর্গরাজ্য’ থেকে ‘ঘুষের দূর্গে’ পদায়ণ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর (ডিআইএ) দীর্ঘদিন ধরেই ঘুষ-বাণিজ্যের আখড়া হিসেবে পরিচিত। দেশের ৩৬ হাজারেরও বেশি এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অডিট করার নামে কোটি কোটি টাকার ‘ট্যুর প্রোগ্রাম’ কেনাবেচা এবং শিক্ষকদের ভয় দেখিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে এই দপ্তরের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর এই খাতকে দুর্নীতিমুক্ত করার ঘোষণা দিলেও কায়সারের মতো বিতর্কিত ও প্রকাশ্যে ঘুষের প্রস্তাবকারী কর্মকর্তাকে ঢাকা অঞ্চলের উপ-পরিচালকের মতো প্রভাবশালী পদে পদায়ন করায় সরকারের সেই ‘দুর্নীতি বিরোধী’ অবস্থান এখন বড় ধরনের প্রশ্নের মুখে পড়েছে।

শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, কায়সারের এই পুনর্বাসন শিক্ষা প্রশাসনে দুর্নীতিবাজদের আরও বেশি উৎসাহিত করা হবে। কি ছিল সেই ফোনকলে- ……হাতে আসা একটি ফোনকলের ৬ মিনিট ৮ সেকেন্ডের রেকর্ডে এমন কথোপকথন শোনা যায়।
ফোনের একপাশে টাঙ্গাইলের শহীদ ভবানী প্রসাদ সাহা সরকারি কলেজে (মির্জাপুর সরকারি কলেজ) অধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. আব্দুল মান্নান। তাকে কল দেন আবুয়াল কায়সার। তিনি পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের (ডিআইএ) যুগ্ম-পরিচালক বলে নিজেকে পরিচয়ও দেন। অধ্যক্ষ আব্দুল মান্নান: হ্যালো…। আবুয়াল কায়সার: এই আপনি কি প্রিন্সিপাল মান্নান সাহেব বলছেন? অধ্যক্ষ: জ্বি জ্বি। আবুয়াল কায়সার: ওহ আচ্ছা। আপনার নামে একটা অভিযোগ আছে। (এরপর অধ্যক্ষের গোপনাঙ্গসহ সেক্সুয়াল বিভিন্ন বিষয় নিয়ে অশ্লীল-অশ্রাব্য কথোকথন করেন আবুয়াল, যা গণমাধ্যমে প্রকাশযোগ্য নয়।) অধ্যক্ষ: এগুলো কার… কাকে; কার কথা বলছেন? আবুয়াল কায়সার: আপনি কি ছাত্রীর সঙ্গে এসব কথোপকথন করেছেন? অধ্যক্ষ: না না, এগুলো আমার না। আমার মোবাইল, ফেসবুক হ্যাকড হয়েছিল। আর এসব এডিট করা। আপনি ভিডিওটা দেখেন, বুঝবেন। আবুয়াল কায়সার: আপনি এসব কখনো করেননি? আপনার মোবাইল হ্যাকড হয়েছিল? অধ্যক্ষ: না না। কখনই না। আবুয়াল কায়সার: আপনার বাসা উত্তরা? আমার দপ্তরে একটা অভিযোগ এসেছে। আমরা এখনো অভিযোগটা নিইনি। যেহেতু আপনি… আপনি কত বিসিএস? অধ্যক্ষ: আমি ফোরটিন (১৪তম বিসিএসে নিয়োগ পাওয়া)। আবুয়াল কায়সার: আচ্ছা, আপনি এনসিটিবিতে (জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড) কতদিন চাকরি করেছেন? অধ্যক্ষ: এনসিটিবিতে দুই ফেসে (মেয়াদ) প্রায় ১৩ বছর হবে। আবুয়াল কায়সার: আসলে আপনি একজন বিসিএস ক্যাডার…এই মুহূর্তে প্রিন্সিপাল। আপনার বিরুদ্ধে যদি কোনো ষড়যন্ত্র হয়ে থাকে, সেটাও ভালো দেখায় না। আমি আপনার শুভাকাঙ্ক্ষী বিধায় ফোনটা দিলাম। আপনি এ মুহূর্তে কি ঢাকায় আছেন? অধ্যক্ষ: ঢাকায়, জ্বি ঢাকায়। আবুয়াল কায়সার: আমরা কোথাও কি বসে চা খেতে পারি? আমার কাছে আপনার বিরুদ্ধে সব এভিডেন্স (প্রমাণ) আছে। আমাদের শিক্ষা সচিবের কাছে অভিযোগটা দেওয়ার জন্য এবং আমার দপ্তরেও দেওয়ার জন্য…অভিযোগটা আমার সাথে। অধ্যক্ষ: আপনার পরিচয়টা একটু বলেন দাদা…আপনার পরিচয়টা..। আবুয়াল কায়সার: আমি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে একটা দুদক আছে; শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে একটা পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর আছে। এখানকার কাজই হলো—দুর্নীতি আর এসব নারী কেলেঙ্কারি এগুলো তদন্ত করা। অধ্যক্ষ: আপনার নামটা কি দাদা? আবুয়াল কায়সার: আমি যুগ্ম-পরিচালক বলছি, জয়েন্ট ডাইরেক্টর। অধ্যক্ষ: নামটা কি? হ্যালো…।
আবুয়াল কায়সার: আমার নাম শুনবেন? উত্তরায় এসে বলি? আমার ভিজিটিং কার্ড, আইডি কার্ড দেখাইয়া বলি। কোথায় আছেন এখন আপনি? অধ্যক্ষ: না না সমস্যা নাই। আমি বাসায়ই আছি, ঢাকাতে। আবুয়াল কায়সার: আপনি কোথায় আছেন এখন (উচ্চস্বরে)? অধ্যক্ষ: আমি বাসায়ই আছি দাদা। অসুবিধা নাই। আপনি ডিআইএ আছেন তো? শিশির (ডিআইএর তৎকালীন পরিচালক) তো আমার ছোট ভাই। আবুয়াল কায়সার: কে? শিশির? (কিছুটা নরম সুরে)। আচ্ছা, শিশির ছোট ভাই। আপনি কি জাহাঙ্গীরনগরের? অধ্যক্ষ: জ্বি। আবুয়াল কায়সার: ওহ আচ্ছা। তাহলে আপনি বলছেন যে, আপনার ছাত্রী ইন্টারমিডিয়েট পড়ে, তার সঙ্গে এসব চ্যাটিং, টকিং, ভিডিও, কারচুপি কথাবার্তা, দুই নম্বরি কথাবার্তা আপনি করেননি? অধ্যক্ষ: না না না (উচ্চস্বরে)। এটা হলো হ্যাক হইছে। এটার জন্য তো আগেই জিডি করা আছে। আবুয়াল কায়সার: মোবাইল হ্যাক হয়েছে? অধ্যক্ষ: জ্বি জ্বি। আবুয়াল: ওহ। কবে হ্যাক হয়েছে? অধ্যক্ষ: ফেসবুক, মোবাইল হ্যাক বিষয়ে জিডি আগেই করা আছে। আবুয়াল কায়সার: তার মানে আপনি তদন্তের অপেক্ষায় আছেন, তাই তো? অধ্যক্ষ: আপনি যেভাবে বলছেন, তাতে তো সেটাই আসে। আবুয়াল কায়সার: আমার কাছে লিখিত একটা অভিযোগ এসেছে। অধ্যক্ষ: লিখিত কে দিয়েছে? আবুয়াল কায়সার: লিখিত দিয়েছে যে অ্যাবিউজড, মানে যে নির্যাতিতা। অধ্যক্ষ: নির্যাতিতা? সে কি অভিযোগ দিয়েছে? আবুয়াল কায়সার: সেটা আপনাকে সব বলতে হবে (উচ্চস্বরে)? আমার একটাই কথা আপনার বিরুদ্ধে তাহলে কি ষড়যন্ত্র হচ্ছে কি না? অধ্যক্ষ: জ্বি। আমি সেটাই বলছি। এটা নিয়ে ষড়যন্ত্র হচ্ছে। আবুয়াল কায়সার: আচ্ছা আচ্ছা। ষড়যন্ত্র হচ্ছে? কথাটা শুনে খুব ভালো লাগলো। এখন কথা হলো—আপনি যে কলেজে প্রিন্সিপাল…আপনি ওখানে চারতলায় একটা রুমে থাকেন? অধ্যক্ষ: চারতলায় থাকি। আরও প্রিন্সিপালরা এখানে থাকতেন। আমি এখানে নতুন এসেছি। ওনারা আমাকে এখানে থাকার ব্যবস্থা করে দিয়েছেন।
আবুয়াল কায়সার: আপনি ওখানে ডিগ্রির কোনো মেয়েকে নিয়ে, ইন্টারমিডিয়েটের কোনো মেয়েকে নিয়ে থাকেন। সব তথ্যই তো আমাদের কাছে আসে। অধ্যক্ষ: না না না। এ তথ্য টোটালটাই মিথ্যা। টোটালটাই মিথ্যা, টোটালটাই মিথ্যা (উত্তেজিত হয়ে উচ্চস্বরে)। আমি ওখানে, আমি ওখানে..। আবুয়াল কায়সার: আপনি চ্যালেঞ্জ করছেন তো? আইনের ভাষায় আমি কথা বলবো। ওকে। অধ্যক্ষ: না না আপনার সঙ্গে তো আমি কথা ফ্রি-লি বলতেছি। এটা তো চ্যালেঞ্জের বিষয় নয়। আপনি প্রশ্ন করছেন, আমি উত্তর দিচ্ছি। আবুয়াল কায়সার: আপনি কার সঙ্গে চ্যালেঞ্জ করেছেন, আপনি জানেন না। আমি এক্ষুনি ফোন দিচ্ছি ডিবিকে। ডিআইজি আমার বন্ধু। আপনাকে দেখে নেওয়া হবে।
এসব বিষয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ (মাউশি) ঢাকা অঞ্চলের উপ-পরিচালক (কলেজ) আবুয়াল কায়সারের সঙ্গে যোগাযোগ করলে সাংবাদিক পরিচয় জানার পর তিনি ফোন কেটে দেন।
ডিপি/ এএ/এমএইচইউ