
দিনাজপুরে একটি সংখ্যালঘু পরিবারের পৈত্রিক ফসলি জমির মালিকানা নিয়ে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। পরিবারটির অভিযোগ, ৫ আগস্টের পর থেকে স্থানীয় কিছু বিএনপি নেতাকর্মী জমিটি তাদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে রেখেছেন এবং সম্প্রতি ওই জমির পাকা ধান কেটে নিয়ে যান। পরিবারটির দাবি—এটি জবরদখল ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অংশ।
পরিবারের সদস্যরা জানান, গত দেড় বছর ধরে বিভিন্ন ধরনের চাপ, হুমকি ও সামাজিকভাবে বিচ্ছিন্ন করার ঘটনা ঘটছে। অভিযোগ রয়েছে, হামলার আশঙ্কায় পরিবারটির পুরুষ সদস্যরা ঘর থেকে বের হতে ভয় পাচ্ছেন। নারীরাও নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন বলে তারা সাংবাদিকদের জানান।
এ ঘটনায় স্থানীয়ভাবে অভিযোগ জানানো হলেও এখন পর্যন্ত কোনও কার্যকর ব্যবস্থা পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগ পরিবারের। তারা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
অভিযোগের বিষয়ে বিএনপির স্থানীয় নেতৃবৃন্দের কোনও তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের সাংবিধানিক দায়িত্ব, এবং যেকোনো অভিযোগ যথাযথ তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা জরুরি।
সাম্প্রতিক ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান জানিয়েছে। মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলছে, জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
দেশপক্ষ/ এমএইচ









