
শরীয়তপুরে ছাত্রদল ও এনসিপির মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এসময় একাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। এতে উভয় পক্ষের কমপক্ষে ১০ জন আহত হয়েছে।
সোমবার (২২ ডিসেম্বর) শরীয়তপুর জেলা শহরের চৌরঙ্গী মোড়ে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন, জেলা এনসিপির সদস্য সচিব সবুজ তালুকদার, ছাত্রদল কর্মী নিরব তালুকদার (১৮), নাঈম বেপারী (২৫), (৫২), আরমান (২৬), মামুন (৩০), আবিদ খান (২৮), ইসাহাক সরদার (৩২), আকাশ ও বিএনপি কর্মী মোহাম্মদ আলী।
আহতদের শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এদের মধ্যে ছাত্রদল কর্মী নাঈম বেপারীকে গুরুতর অবস্থায় ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
জানা গেছে, ওসমান হাদী হত্যার বিচারের দাবিতে এনসিপির সদস্য সচিব সবুজ তালুকদারের নেতৃত্বে শরীয়তপুর জেলা শহরে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি শরীয়তপুর গার্লসস্কুলের সামনে থেকে শুরু হয়ে শরীয়তপুর-ঢাকা সড়কের চৌরঙ্গী মোড় পাড় হয়ে তামিম ফ্যামিলি ফুড সেন্টারের সামনে পৌঁছলে একজন ছত্রদল কর্মীর সাথে এনসিপির নেতাকর্মীদের হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে এনসিপির নেতাকর্মীরা ওই ছাত্রদল কর্মীকে ধরে চৌরঙ্গী মোড়ে আটকে রাখে। পরে খবর পেয়ে ছাত্রদের নেতাকর্মী চৌরঙ্গী মোড়ে পৌঁছলে দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এক পর্যায়ে হাতবোমা ও দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পরে। এসময় হাতবোমা বিস্ফোরণে ও দেশীয় অস্ত্রের আঘাতে উভয় পক্ষের প্রায় ১০ জন আহত হয়েছে।
বিষয়ে পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহ আলম বলেন, ওসমান হাদী হত্যার প্রতিবাদে আজ সন্ধ্যা শরীয়তপুর শহরে এনসিপি একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে। এসময় ছাত্রদলের এক কর্মীর সাথে এনসিপির নেতাকর্মীদের ভুল বোঝাবুঝি থেকে দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে।
-নি/ এমএইচ









