ঢাকা, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬, ১২:৩৯ অপরাহ্ন

মহিলাদল নেত্রীর সঙ্গে অবৈধ সম্পর্ক

কাউন্সিলর মোস্তাক সাম্রাজ্য এখন অপুর দখলে

রাজধানীর ৬২ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোস্তাকের চাঁদাবাজি, দখলদারিত্ব আর মাদক ও নারী ব্যবসার হাট এখন ক্যাশিয়ার মোস্তফা শাহনেওয়াজ অপুর দখলে। তিনি তিনি এলাকায় মহিলা দল নেত্রী সালেহা শখের অপু নামে পরিচিত। এই অপু বিগত স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের আমলে কাউন্সিলর মোস্তাকের ডান হাত হিসেবে গোটা এলাকা রাজত্ব কওে বেড়াতেন। মোস্তাকের গোটা চাঁদাবাজি, মাদক আর নারী ব্যবসার টাকা জমা হতো অপুর কাছে। ৬২ নং ওয়ার্ডেও ময়লার উঠানোর টেন্ডার ছিল অপুর। তিনি মোস্তাকের নির্দেশে একাধিক খুনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন।

আওয়ামী লীগের ক্ষমতা হারানোর পর মোস্তাক পালিয়ে গেলে বোল পাল্টে নিজেকে বিএনপি নেতা দাবি করছেন অপু। নিজেকে ত্যাগী বিএনপি নেতা দাবি করে গোটা এলাকা দখলে নিয়েছেন তিনি। এর পেছনে ছায়া হয়ে আছেন- অপুর বিবাহবর্হিভুত সর্ম্পকে থাকা ঢাকা দক্ষিণ যুব মহিল দল নেত্রী সালেহা বেগম। কিছু দিন আগে সালেহা বেগম ঢাকা দক্ষিণ মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পেয়েছেন । এরপর অপু আরো বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন।

মহিলা দল নেত্রী সালেহার সঙ্গে অপু।

স্থানীয় সূত্র মতে, মহিলা দল নেত্রী সালেহা বেগমের সঙ্গে অন্তত ১৫ বছর ধওে অপুর অবৈধ সম্পর্ক। যদিও সম্প্রত্তি সালেহা দাবি করছেন অপুকে তিনি বিবাহ করছেন, তরে তার কোনো প্রমান নেই। অপুর স্ত্রী ও দুই সন্তান থাকার পর সালেহার বাড়িতে দীর্ঘদিন ধওে রাত্রিযাপন করছেন। আওয়ামী লীগের আমলে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাদের নিয়ে সালেহার বাড়িতে মদ ও নারীদেও নিয়ে আড্ডা বসাতেন। এখন অপু বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় হবার চেস্টা করছেন। সালেহার সঙ্গে সব জায়গা ঘুরে বেড়ান। অপু-সালেহার রসায়ন এলাকায় ওপেন সিক্রেট। দীর্ঘ দিন ধওে সবার সামনেই অপু সালেহার বাড়িতে বসবাস করছেন। অনেক বছর আগে সালেহার স্বামী মারা যাবার পর অপু রাতে সেই বাড়িতেই অবসথান করে।


স্থানীয় রা জানা, গত ১৭ বছর মোস্তাকের ক্যাশিয়ার হিসেবে গোটা এলাকায় ছিলো অপুর রাজত্ব। কলাপট্রি আড়ৎ, কাচাবাজার আড়ৎ, ছাগল পট্টি, বাস পার্কি, শনির আখড়া পার্কি সব দেখভাল করতেন অপু। ঐ সময়ে অপুর নেতৃত্ব পরিচালিত হতো এশটি নারী ব্যবসা চক্র। মোস্তাক পালিয়ে গেলেও সব কিছু রয়ে গেছে অপুর নিয়ন্ত্রনে। সব কিছুই এখন অপু দখলে। তিনি বিএনপির ত্যাগী নেতা পরিচয়ে দলীয় পদবাগাতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন।

সূত্র মতে, যাত্রাবাড়ী বড় কাঁচাবাজারের আড়ত দুটি ৬২ এবং ৫০ নং ওয়ার্ডে অবস্থিত। ৬২ নং এর মোস্তাক এবং ৫০নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মাসুদ মোল্লার হয়ে আড়ৎ দুটি দেখভাল করছেন অপু। ঐ আড়ৎ এলাকার চাঁদাবাজি নিয়ে বিরোধে ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে খুন হন শ্রমিক ইমরান হোসেন । ঐ দিন রাত সাড়ে ১২টার দিকে যাত্রাবাড়ী বড় কাঁচাবাজারের আড়তের সামনে প্রতিপক্ষের হামলায় ইমরান (৩৫) নিহত হন। এ সময় শাহাদাত হোসেন (২০) ও ছিদ্দিক (২৫) আহত হন। মোস্তাকের হয়ে ঐ খুনের মাস্টারমাইন্ড ছিলেন কথিত বিএনপি নেতা অপু।

বিস্তারিত আসছে দ্বিতীয় পর্বে…..

নিউজটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

ট্যাগঃ