ঢাকা, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৬:০৬ পূর্বাহ্ন

স্বতন্ত্র প্রার্থীর গণসংযোগে হামলা, ককটেল বিস্ফোরণ

মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার মোল্লাকান্দি ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মহিউদ্দিনের ফুটবল প্রতীকের গণসংযোগে বিএনপি প্রার্থীর সমর্থকদের ককটেল বিস্ফোরণ ও ফাঁকা গুলি করে বাধা প্রদানের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

single-ad-main-1

শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে ইউনিয়নের মুন্সীকান্দি-আনন্দপুর সড়কে আতাউর মাস্টারের বাড়ির সামনে এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যাক্ষদর্শীরা জানান, বেহেরকান্দি ও আনন্দপুর এলাকার ফুটবল প্রতীকের সমর্থকরা ফুটবল প্রতীকে প্রচারণা করছিলেন। এ সময় বিএনপি প্রার্থীর ১০/১৫ জনের একটি গ্রুপ গণসংযোগকারীদের উপর ককটেল নিক্ষেপ ও ফাঁকা গুলি ছুঁড়ে।

এতে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় সাধারণ মানুষ ও ভোটারদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছেন।
প্রত্যক্ষদর্শী তোফাজ্জল হোসেন বলেন, আমরা আনন্দপুর মুন্সীকান্দি সড়কের আশে পাশের বাড়িতে ফুটবল প্রতীকে গণসংযোগ করার সময় মুন্সীকান্দি গ্রামের বিএনপি নেতা উজির আলীর লোকজন আমাদের প্রচারণায় বাঁধা প্রদান করেন। কিছু বুঝে উঠার আগেই তারা একের পর এক ককটেল বিস্ফোরণ ও ফাঁকা গুলি করে আমাদেরকে ছত্রভঙ্গ করে দেয়।

single-ad-main-2

তাদের এই হামলার কারণে আমাদের বেশ কয়েকজন লোক আহত হয়েছে। আমরা যার মতো করে ওই স্থান থেকে পালিয়ে এসে জীবন বাঁচিয়েছি।
ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী কামরুজ্জামান রতন এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ফুটবল প্রতীকের হামলার ঘটনাটি স্থানীয় দুই গ্রুপের পূর্ব বিরোধের কারণে হয়েছে। ওখানে আমার কোন লোকজনের জনসংযোগ ছিল না।

তিনি আরো বলেন, আমাকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মাধ্যম জানতে পারলাম হামলার ঘটনা জানতে পারছি। ওই হামলার সাথে যারা জড়িত তাদের দায়ভার আমার নয়, ওইটা তাদের অভ্যন্তরীণ সংঘাত।

স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মহিউদ্দিন বলেন, ফুটবল প্রতীকের গণজোয়ার দেখে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী একের পর এক যড়যন্ত্র করছেন। তিনি শুরু থেকে নানাভাবে আমার কর্মী সমর্থকদের ভয়ভীতি ও বাধা প্রদান করে যাচ্ছেন।

কোন বাধাতে ফুটবল প্রতীকের গণজোয়ার থামাতে না পেরে তিনি তার সমর্থকদের দিয়ে এখন সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। তারই ধারাবাহিকতায় আজ চরাঞ্চলের মোল্লাকান্দিতে গণসংযোগকালে আমার কর্মী সমর্থকদের উপর গুলিবর্ষণ ও ককটেল নিক্ষেপ করেছে। তাদের হামলায় আমার তিনজন সমর্থক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

তিনি আরো বলেন, ৫ আগস্টে থানা থেকে লুট হওয়া অস্ত্র দিয়ে এখন প্রতিপক্ষের লোকজন এলাকায় প্রকাশ্যে গুলিবর্ষণ ও মহড়া দিচ্ছে, এতে করে ভোটার ও স্থানীয়দের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে। দ্রুত সময়ে এসব অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের আটক করার পাশাপাশি অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার না করলে নির্বাচনী এই সন্ত্রাসী বাহিনী প্রভাব বিস্তার করবে।

এ বিষয়ে মুন্সীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মমিনুল ইসলাম বলেন, ওই এলাকার সংঘর্ষের খবর শুনে সেখানে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। সেনাবাহিনী ও বিজিবি ঘটনাস্থলে গেছে। বর্তমানে ওই এলাকার পরিস্থিতি শান্ত আছে। হামলার বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে।

 

দেশপক্ষ/এমএইচ

নিউজটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

ট্যাগঃ