
দীর্ঘদিন ধরে চলা রাজনৈতিক অস্থিরতা ও প্রশাসনিক স্থবিরতার অবসান ঘটিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সম্ভাব্য ‘বিদায়ের সুর’ জনমনে এক ধরনের স্বস্তির আবহ তৈরি করেছে। দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সাধারণ মানুষ এখন একটি নির্বাচিত ও স্থায়ী সরকারের মাধ্যমে স্থিতিশীলতা ফিরে পাওয়ার অপেক্ষায় দিন গুনছেন।
গত কয়েক মাসের অস্বাভাবিক মূল্যস্ফীতি, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চ্যালেঞ্জ এবং প্রশাসনিক স্তরে সংস্কারের ধীরগতি সাধারণ মানুষের মধ্যে কিছুটা হতাশা তৈরি করেছিল। ইউনূস সরকারের বিদায় এবং একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার ইঙ্গিত পাওয়ায় নাগরিকরা মনে করছেন, নির্বাচিত প্রতিনিধি থাকলে জবাবদিহিতা বৃদ্ধি পায়, যা বর্তমান সময়ে সবচাইতে বেশি প্রয়োজন।
বাজার নিয়ন্ত্রণ: অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণে হিমশিম খেতে হয়েছে। জনগণের প্রত্যাশা, রাজনৈতিক সরকার ক্ষমতায় এলে সিন্ডিকেট দমনে আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হবে।
স্বাভাবিক কর্মচাঞ্চল্য: সচিবালয় থেকে শুরু করে মাঠ প্রশাসন পর্যন্ত যে অনিশ্চয়তা বিরাজ করছিল, তা কাটতে শুরু করেছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ড. ইউনূসের সরকার রাষ্ট্র সংস্কারের যে সাহসী উদ্যোগ নিয়েছিলেন, তা প্রশংসনীয়। তবে একটি অরাজনৈতিক সরকারের মেয়াদ দীর্ঘ হলে অনেক সময় জনমনে একঘেয়েমি ও অস্থিরতা তৈরি হয়। ড. ইউনূসের বিদায়ের প্রস্তুতি মূলত একটি গণতান্ত্রিক উত্তরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে, যা বিনিয়োগকারী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে আনছে।
সাধারণ মানুষের কণ্ঠস্বর
রাজধানীর কারওয়ান বাজারে বাজার করতে আসা বেসরকারি চাকরিজীবী আরমান হোসেন বলেন, “আমরা শান্তিতে থাকতে চাই। ড. ইউনূস অনেক বড় মানুষ, কিন্তু দেশের কাজগুলো তো এখন থমকে আছে। তিনি সুন্দরভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর করে বিদায় নিলে আমরা একটা নতুন আশার আলো দেখব।”
অন্যদিকে, শিক্ষার্থীরা মনে করছেন সংস্কারের কাজগুলো যেন অর্ধেক পথে থেমে না যায়। তারা একটি সুন্দর সমাপ্তির মাধ্যমে গণতন্ত্রের পথে ফেরার পক্ষে।
পরিশেষ: ড. ইউনূস সরকারের এই প্রস্থান কেবল একটি মেয়াদের শেষ নয়, বরং একটি নতুন গণতান্ত্রিক অধ্যায়ের সূচনা হিসেবে দেখছে সাধারণ মানুষ। এখন সবার নজর একটি নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের দিকে।
আমি কি এই সংবাদটির জন্য একটি মানানসই শিরোনাম বা কোনো বিশেষ ছবি তৈরির প্রম্পট লিখে দেব?
দেশপক্ষ/ এমএইচ








