
# আ’লীগ নেতাদের মানসিকভাবে প্রস্তুত হওয়ার নির্দেশ
# ‘তৈরী হও’ ঘরে ঘরে-গ্রাম নগর-মাঠ ও বন্দরে তৈরি হওয়ার ডাক
সকল জল্পনা-কল্পনার অবশান ঘটিয়ে দেশে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও বঙ্গবন্ধুর জেষ্ঠ্যকণ্যা শেখ হাসিনা। শেখ হাসিনা বর্তমানে ভারতে অবস্থান করছেন। ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর ২০২৪ সালের আগস্ট মাসে তিনি ভারতে আশ্রয় নেন। পরবর্তী সময়ে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন মামলা দায়ের করা হলেও, তিনি স্পষ্ট করেছেন যে তিনি রাজনৈতিক কারণে দেশে ফিরবেন না, বরং একটি গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিশ্চিত হলেই তার প্রত্যাবর্তনের বিষয়টি বিবেচনা করবেন। দলীয়প্রধানের এমন ঘোষণায় সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় আলোচনার ঝড় বইতে শুরু করেছে। আশার আলো দেখছেন দলটির নির্যাতিত-নিপীড়িত মাঠপর্যায়ের নেতাকর্মীলা। একইসঙ্গে তৃণমূল ও থানা-ওয়ার্ডের আত্মগোপনে থাকা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে একধরনের সাহসীকতা দেখা যাচ্ছে।
তবে স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের পোস্টারের সঙ্গে শেখ হাসিনার ছবি ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন রাজনৈতিক জল্পনা। এই পোস্ট ঘিরে প্রশ্ন উঠছে, বাংলাদেশের রাজনৈতিক ময়দানে কি ফের সক্রিয় প্রত্যাবর্তন ঘটতে চলেছে শেখ হাসিনার। যদিও এ বিষয়ে এখনও পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো ঘোষণা আসেনি। তবুও সোশ্যাল মিডিয়ায় ধারাবাহিকভাবে এমন বার্তা সামনে আসায় রাজনৈতিক মহলে জল্পনা আরও বাড়ছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, বিরোধী শিবিরের আন্দোলন এবং আন্তর্জাতিক চাপের আবহে আওয়ামী লীগ নিজেদের কর্মী-সমর্থকদের মনোবল চাঙ্গা রাখতেই এই ধরনের প্রচার কৌশল নিতে পারে। আবার কেউ কেউ বলছেন, এটি শুধুই আবেগঘন রাজনৈতিক বার্তা নয়,ভবিষ্যতের বড় কোনো রাজনৈতিক পরিকল্পনার ইঙ্গিতও হতে পারে। বাংলাদেশের রাজনীতিতে শেখ হাসিনা এখনও অত্যন্ত প্রভাবশালী নাম। দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকার ফলে প্রশাসনিক ও সাংগঠনিক স্তরে তাঁর প্রভাব এখনও যথেষ্ট শক্তিশালী বলে মনে করা হয়। ফলে তাঁর সম্ভাব্য প্রত্যাবর্তনের ইঙ্গিত সামনে আসতেই তা ঘিরে দেশজুড়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।
তবে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, শুধুমাত্র সোশ্যাল মিডিয়ার পোস্ট দেখে কোনো বড় রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে পৌঁছনো ঠিক হবে না। বাস্তবে পরিস্থিতি কোন দিকে এগোয়, সেটাই এখন দেখার। কিন্তু “প্রত্যাবর্তন ২.০” স্লোগান যে বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন করে উত্তাপ বাড়িয়েছে, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই।
স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসের লিফলেট বিতরণ: সর্বশেষ গতকাল শনিবার সকালে রাজধানীর বনানী এলাকায় আওয়ামী লীগের পোস্টার ও লিফলেটসহ এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত আসামির নাম মো. আশিক তপেদার (২৪)। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ডিএমপির গুলশান জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) শাহ মোস্তফা তারিকুজ্জামান।
তিনি জানান, শনিবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে বনানী পুলিশ ফাঁড়ির একটি দল সংশ্লিষ্ট এলাকায় দায়িত্ব পালন করছিলেন। এ সময় বনানী থানাধীন ঢাকা-ময়মনসিংহ সড়কের নেভাল হেডকোয়ার্টারের বিপরীতে ডলফিন মোড়ে একটি মোটরসাইকেলে থাকা তিনজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থামানো হয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মোটরসাইকেলে থাকা দুই ব্যক্তি দৌড়ে পালিয়ে যান। পরে মো. আশিক তপেদার (২৪) নামে একজনকে আটক করা হয়। তার বাড়ি শরীয়তপুরের নড়িয়া থানার চামটা এলাকায়। বর্তমানে তিনি রাজধানীর তেজগাঁও শিল্পাঞ্চলের বেগুনবাড়ী এলাকায় বসবাস করতেন। তবে পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারকালে তার কাছ থেকে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের পোস্টার ও লিফলেট উদ্ধার করা হয়েছে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি জানিয়েছেন, আগামী ১৭ মে শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে এসব লিফলেট বিতরণের উদ্দেশ্যে তারা ওই এলাকায় অবস্থান করছিলেন। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নিয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এদিকে, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা খুব শিগগিরই দেশে ফিরতে চান এবং ফাঁসি বা কারাবাসকে ভয় পান না। ভারতে অবস্থানরত দলের নেতাদেরও তিনি দেশে ফেরার জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. আবুল হাসনাত মিল্টনের ইউটিউব চ্যানেল ‘ডাক্তার মিল্টন শো’-তে প্রচারিত সাম্প্রতিক একটি ভিডিও বার্তায় এসব দাবি করা হয়েছে।
ভিডিও বার্তায় ডা. মিল্টন জানান, সম্প্রতি কলকাতায় অবস্থানরত আওয়ামী লীগের ওয়ার্কিং কমিটির নেতাদের সঙ্গে শেখ হাসিনার একটি ভার্চুয়াল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে দেশে অনুষ্ঠিত সাম্প্রতিক নির্বাচন বয়কট করায় জনগণকে অভিনন্দন জানানোর পাশাপাশি আসন্ন মার্চ মাসের বিভিন্ন ঐতিহাসিক দিবস (৭, ১৭ ও ২৬শে মার্চ) পালনের বিষয়ে আলোচনা হয়। তবে আলোচনার মূল কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল নির্বাসিত নেতাদের দেশে ফেরার প্রসঙ্গ। বক্তারা জানান, কলকাতায় অবস্থানরত নেতারা দেশে আইনের শাসন ও সুবিচার নিশ্চিত হলে ফিরে আসতে চান বলে শেখ হাসিনাকে জানিয়েছেন। জবাবে শেখ হাসিনা তাদের মানসিকভাবে প্রস্তুত হতে বলেছেন এবং দেশে ফিরে যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলার নির্দেশ দিয়েছেন। নেত্রী নিজে কবে ফিরবেন—নেতাদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, নেতারা যেন তাদের মতো করে ফেরেন, আর তিনি তার মতো করে দেশে ফিরবেন।
শেখ হাসিনার দেশে ফেরা প্রসঙ্গে ওই সূত্র জানায়, শেখ হাসিনার পাসপোর্ট বর্তমানে বাতিল থাকলেও এটি একটি কারিগরি বাধা মাত্র। তিনি ইতিমধ্যে ভারতীয় কর্তৃপক্ষকে দেশে ফেরার ইচ্ছার কথা স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন। তিনি আইনের বিচারিক প্রক্রিয়া ফেস করতে চান এবং জেল বা ফাঁসিকে ভয় পান না। ভারত সরকার তাকে বিপদের মুখে ঠেলে দেবে না বলেও ভিডিওতে আশা প্রকাশ করা হয়। প্রতিবেদনে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন ১৮ মাসের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তীব্র সমালোচনা করা হয়। গত বছরের (২০২৫ সালের) ১২ মে একটি সরকারি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার বিষয়টিকে সম্পূর্ণ অবৈধ আখ্যা দিয়ে দলের ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকে এই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার জোর দাবি জানানো হয়েছে। সরকার এই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার না করলে আওয়ামী লীগ কঠোর আন্দোলনের পথে যাবে বলে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। এছাড়া বর্তমান সরকারের আমলে দেশের অর্থনীতি ও ব্যাংকিং খাত ধ্বংস হয়ে গেছে বলেও ভিডিওতে দাবি করা হয়। বর্তমান আইনশৃঙ্খলা ও বিচারিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে ভিডিও বার্তায় বলা হয়, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মব জাস্টিস বন্ধের কথা বললেও পরিস্থিতি ভিন্ন। প্রসঙ্গত, অতি সম্প্রতি (২৪-২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬) বরিশালের আদালত প্রাঙ্গণে এক আওয়ামী লীগ নেতার জামিন মঞ্জুরকে কেন্দ্র করে বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের হট্টগোল ও মব করার ঘটনা ঘটে। এর জেরে জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি সাদিকুর রহমান লিংকনকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়। এই ঘটনা প্রমাণ করে যে দেশে এখনো আইনের শাসন পুরোপুরি প্রতিষ্ঠিত হয়নি বলে ওই বিশ্লেষক মনে করেন।
ডা. মিল্টন দাবি করেন, শেখ হাসিনার ফেরার সম্ভাবনার খবরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা (আসিফ মাহমুদ, সারজিস আলম, হাসনাত আব্দুল্লাহ) ও কয়েকটি রাজনৈতিক দলের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তারা বিএনপিকে আওয়ামী লীগের নিষেধাজ্ঞা না তোলার জন্য চাপ দিচ্ছে এবং ‘১৯৮১ সালে জিয়াউর রহমান শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরতে দিয়ে ভুল করেছিলেন’এমন একটি ‘ভুল ন্যারেটিভ’ প্রচার করছে।
ইতিহাসের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ১৯৮১ সালে শেখ হাসিনা কারো দয়ায় দেশে ফেরেননি। জিয়াউর রহমান বরং তার ফেরা ঠেকাতে মির্জা গোলাম হাফিজের নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করেছিলেন। কিন্তু শেখ হাসিনা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নিজের সিদ্ধান্তে দেশে ফিরেছিলেন।ভিডিওর শেষাংশে বলা হয়, বাংলাদেশের রাজনীতি মূলত দ্বিদলীয় (আওয়ামী লীগ ও বিএনপি)। আওয়ামী লীগ দেশে ফিরলে রাজনীতির মাঠে একটি ভারসাম্য তৈরি হবে এবং জামায়াত বা অন্যান্য দলগুলো কোণঠাসা হয়ে পড়বে। শেখ হাসিনা কবে ফিরবেন, তার সুনির্দিষ্ট তারিখ জানা না গেলেও তিনি সম্ভাব্য দ্রুততম সময়ে দেশে ফিরবেন বলে ‘ডাক্তার মিল্টন শো’-এর ওই বার্তায় নিশ্চিত করা হয়।
এ বিষয়ে সর্ব ইউরোপিয়ান আওয়ামী লীগের সভাপতি ও মানবাধিকারকর্মী এম. নজরুল ইসলাম সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি পোস্ট দিয়ে লিখেছেন, আবারও সব ষড়যন্ত্র ছিন্ন করে দেশে ফিরে আসবেন শেখ হাসিনা। তিনি লিখেছেন, বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে বড় পরিবর্তনগুলোর একটি ঘটেছিল ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি, যা ওয়ান-ইলেভেনের অপশাসন হিসেবে চিহ্নিত। দেশি-বিদেশি এক গভীর ষড়যন্ত্রের ফসল ছিল সেটি। সেনাবাহিনীর সমর্থনে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের নামে ষড়যন্ত্রকারীরা ক্ষমতা দখল করেছিল। চেপে বসা সেই অপশক্তি ‘মাইনাস টু’ ফর্মুলার নামে মূলত শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশের রাজনীতি থেকে বিদায় করতে চেয়েছিল। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে দুর্বল করে দিতে চেয়েছিল। সেদিনের সেই ষড়যন্ত্রেরও অন্যতম নায়ক ছিল ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও তার পৃষ্ঠপোষকরা। পঁচাত্তর-পরবর্তী পটভূমিতে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার দেশে ফিরে আসা এবং আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব নেওয়া- দুটোই ছিল অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং। তাঁর প্রত্যাবর্তন ঠেকাতে বহুবিধ অপকৌশল নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু অদম্য মনোবল আর অবিচল লক্ষ্য থাকায় বঙ্গবন্ধু কন্যাকে কোনো ষড়যন্ত্রই আটকে রাখতে পারেনি। তিনি ফিরে এসেছিলেন এবং রাজনীতিতে তাঁর অভিষেক হয়েছিল। তবে তাঁর চলার পথ মোটেও মশৃণ ছিল না। বহু প্রতিকূলতা মোকাবিলা করে তাঁকে আগাতে হয়েছে। পদে পদে জীবনের ঝুঁকি নিতে হয়েছে। পায়ে পায়ে পাথর ঠেলে শেখ হাসিনাকে আজকের অবস্থানে আসতে হয়েছে। কিন্তু জনগণকে আস্থায় নিয়ে রাজনৈতিক কল্যাণের যে পথযাত্রা শুরু হয়েছিল তাঁর, তা থেকে তাঁকে বিচ্যুত করা যায়নি। ২০০৭ সালের ৭ মে তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারঘোষিত জরুরি অবস্থা চলাকালীন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে চিকিৎসা শেষে শত প্রতিকূলতাকে উপেক্ষা করে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করতে বাংলাদেশে ফিরে আসেন বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা।
ওই সময় অবৈধ নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে প্রতিবাদের ঝড় ওঠে বিশ্বব্যাপী। স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে শেখ হাসিনার ঐকান্তিক দৃঢ়তা, সাহস ও গণতন্ত্রকামী দেশবাসীর চাপে তদানীন্তন তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে বাধ্য হয়। দেশে আজ সেই ওয়ান-ইলেভেনের মতো একই ধরনের ষড়যন্ত্র চলছে। অভ্যুত্থানের নামে পরিকল্পিত হত্যাযজ্ঞ, ধ্বংসলীলা ও অগ্নিসন্ত্রাস করে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতাচ্যুত করা হয়েছে। ড. ইউনূস নিজেই স্বীকার করেছেন, কয়েক বছর ধরে ‘মেটিকুলাসলি ডিজাইন’ করা ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে শেখ হাসিনাকে উৎখাত করা হয়েছে। বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনাকে আটকাতে শত শত মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে। সেই একই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের খত দিয়ে বিএনপি ক্ষমতায় এসেছে। কিন্তু ষড়যন্ত্র ক্ষণস্থায়ী। সত্যের জয় অবশ্যম্ভাবী। ২০০৭ সালের ৭ মে’র মতো পাঁচ বারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আবারও বীরদর্পে ফিরে আসবেন দেশের মাটিতে। জনজোয়ারে ভেসে যাবে সব ষড়যন্ত্র।
দেশপক্ষ/ এমএইচ








