
সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ, ধর্মপাশা ও তাহিরপুরে বজ্রাঘাতে তিন কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরো দুজন আহত হয়েছেন। পুলিশ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, হাওরে ধান কাটা শুরু হয়েছে।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) দুপুরে এসব ঘটনা ঘটে।
শনিবার দুপুরে তাহিরপুরে হাওরের একটি হাঁসের খামারে কাজ করার সময় বজ্রাঘাতে আবুল কালাম ওরফে কালা মিয়া (২৮) নামের এক কৃষক নিহত হন। তিনি সদর ইউনিয়নের গাজীপুর গ্রামের আবু বকরের ছেলে। একই ঘটনায় দক্ষিণ বড়দল ইউনিয়নের জামলাবাজ গ্রামের নূর মোহাম্মদ (২৪) আহত হয়েছেন। জামলাবাজ গ্রামের একটি খামারে কাজ করছিলেন তারা।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নওশাদ আহমেদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, একজন ঘটনাস্থলেই মারা গেছেন। আরেকজনকে গুরুতর অবস্থায় সিলেট ওসমানী হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে জামালগঞ্জ উপজেলার সদর ইউনিয়নের চাঁনপুর (গজারিয়া হাটি) গ্রামের বাসিন্দা কৃষক নুরুজ্জামান বজ্রাঘাতে মারা যান।
পাগনার হাওরে ধান কাটার সময় হঠাৎ বজ্রাঘাতে নুরুজ্জামান ও তার চাচাতো ভাই তোফাজ্জল আহত হন। স্থানীয়রা উদ্ধার করে জামালগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক নুরুজ্জামানকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত তোফাজ্জলকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেটে পাঠানো হয়েছে।
অন্যদিকে ধর্মপাশা উপজেলার টগার হাওরে ধান কাটার সময় বজ্রাঘাতে কৃষক হাবিবুর রহমান নিহত হয়েছেন। তিনি পাইকুরহাটি ইউনিয়নের বড়ইহাটি গ্রামের বাসিন্দা।
সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. মতিউর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, নিহত ও আহতদের পরিবারকে প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে স্থানীয় প্রশাসনকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
-নি/ এমএইচ







