
নেত্রকোনা শহরে মানববন্ধন ও মিছিলকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগের দুই নেতা-কর্মীকে আটক এবং থানার ভেতরে নির্যাতনের অভিযোগ ঘিরে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, আটকের পর অবৈধ মামলা দিয়ে থানায় নিয়ে শারীরিকভাবে মারধর করেছেন সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আল-মামুন সরকার।
ভুক্তভোগীদের দাবি, মানববন্ধন শেষে পুলিশ তাদের আটক করে থানায় নিয়ে যায়। পরে সেখানে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
বাংলাদেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী, বিশেষ করে নির্যাতন ও হেফাজতে মৃত্যু (প্রতিরোধ) Act, 2013-এ হেফাজতে নির্যাতনকে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ও দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া দেশের সংবিধানেও নাগরিকের জীবন, ব্যক্তিগত নিরাপত্তা ও মানবিক মর্যাদার সুরক্ষা নিশ্চিত করা হয়েছে।
আইন বিশ্লেষকদের মতে, কোনো ব্যক্তিকে আটক করার পর শারীরিক নির্যাতন শুধু ক্ষমতার অপব্যবহার নয়, বরং আইনের শাসনের পরিপন্থী। তারা বলছেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দায়িত্ব হচ্ছে নিরপেক্ষভাবে আইন প্রয়োগ করা, রাজনৈতিক পক্ষপাত দেখানো নয়।
অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট থানার পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয়দের একাংশ বলছেন, গ্রেপ্তারের নামে বলপ্রয়োগ, হেফাজতে নির্যাতন ও আইনের অপব্যবহার গণতান্ত্রিক পরিবেশকে সংকুচিত করতে পারে।
ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিও উঠেছে বিভিন্ন মহল থেকে।
দেশপক্ষ/ এমএইচ








