ঢাকা, শুক্রবার, ৫ জুন ২০২৬, ১:০৬ পূর্বাহ্ন

বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধিতে চাপে নিম্ন-মধ্যবিত্তরা

জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির ধাক্কা কাটতে না কাটতেই দেশে পাইকারি ও গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে বিএনপির নেতৃত্বাধীন সরকার। এতে শিল্প-ব্যবসা, কৃষি ও আবাসিক খাতে ব্যয় বাড়তে পারে বলে সংশ্লিষ্ট্রদের মধ্যে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। অনেকের প্রশ্ন, বিদ্যুৎ খাতের সংস্কার, অপচয় রোধ ও সুশাসন নিশ্চিত না করে বারবার মূল্যবৃদ্ধির পথ বেছে নেওয়া কতটা যৌক্তিক। কারণ শেষ পর্যন্ত বিদ্যুতের দামবৃদ্ধির বোঝা গিয়ে পড়ে সাধারণ মানুষের কাঁধেই পড়ে, যারা ইতোমধ্যেই ক্রমবর্ধমান ব্যয়ের চাপে ন্যুব্জ।

ঈদের আগেই বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানিগুলোর দেওয়া মূল্যবৃদ্ধির প্রস্তাবের ওপর গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে। চলতি সপ্তাহেই বিদ্যুতের নতুন দাম ঘোষণা করা হতে পারে বলে জানিয়েছিল বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি)। এর আগে ৩১ মে সরকার ডিজেল ছাড়া কেরোসিন, অকটেন ও পেট্রোলের দাম লিটারপ্রতি ৫ টাকা বাড়িয়েছে। নতুন মূল্য কার্যকর হওয়ায় পরিবহন ব্যয় ও পণ্যমূল্যের ওপর এর প্রভাব পড়ার আশঙ্কা করছেন ভোক্তারা। গত ৩ থেকে ৬ মে বিদ্যুৎ উৎপাদন, সঞ্চালন ও বিতরণকারী সংস্থাগুলো বিদ্যুতের পাইকারি ও খুচরা মূল্য এবং সঞ্চালন মাশুল বৃদ্ধির আবেদন করে। পরে ২০ ও ২১ মে অনুষ্ঠিত গণশুনানিতে রাজনৈতিক দল, ব্যবসায়ী সংগঠন, শিল্পোদ্যোক্তা, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি এবং ভোক্তা অধিকারকর্মীরা মূল্যবৃদ্ধির প্রস্তাবের বিরোধিতা করেন। তাদের বক্তব্য ছিল, বিদ্যুৎ খাতের দীর্ঘদিনের অনিয়ম, দুর্নীতি, সিস্টেম লস, অপ্রয়োজনীয় ব্যয় এবং ক্যাপাসিটি চার্জের দায় সাধারণ গ্রাহকদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া উচিত নয়। বরং এসব খাত সংস্কার করে ব্যয় কমানোর উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। প্রস্তাব অনুযায়ী, পিডিবি ইউনিটপ্রতি ৮৫ পয়সা, আরইবি ১ টাকা ৭৭ পয়সা, ডিপিডিসি ১ টাকা ৫৪ পয়সা, ডেসকো ১ টাকা ৯৮ পয়সা, ওজোপাডিকো ১ টাকা ৩৯ পয়সা এবং নেসকো ২ টাকা ৫ পয়সা পর্যন্ত মূল্য বৃদ্ধির আবেদন করেছিল। বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির মাত্র কয়েকদিন আগে সরকার ডিজেল ছাড়া কেরোসিন, অকটেন ও পেট্রোলের দাম লিটারপ্রতি ৫ টাকা বাড়িয়ে দেয়। বর্তমানে অকটেনের দাম ১৪৫ টাকা, পেট্রোল ১৪০ টাকা এবং কেরোসিন ১৩৫ টাকা প্রতি লিটার বিক্রি হচ্ছে। যদিও ডিজেলের দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে, তবুও অন্যান্য জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি পরিবহন ও উৎপাদন ব্যয় বাড়াবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির পর বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় আরও বাড়িয়ে দেবে। বিশেষ করে স্থির আয়ের মানুষ, নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো সবচেয়ে বেশি চাপে পড়বে। তবে অর্থনীতিবিদদের মতে, জ্বালানি ও বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি কখনোই কেবল একটি খাতের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। এর প্রভাব উৎপাদন, পরিবহন, কৃষি, ক্ষুদ্র ব্যবসা, সেবা খাত থেকে শুরু করে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে। ফলে বিদ্যুৎ বিল বৃদ্ধির পাশাপাশি পণ্য ও সেবার দামও বাড়তে পারে। তবে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) সূত্র বলছে, বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় মূল্য সমন্বয়ের প্রয়োজন দেখা দিয়েছে। তবে ভোক্তা সংগঠন ও বিশেষজ্ঞদের একটি বড় অংশ মনে করেন, ব্যয় বৃদ্ধির পেছনে দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনা, দুর্নীতি এবং পরিকল্পনাগত দুর্বলতাই দায়ী।

বিশেষজ্ঞদের মতে, জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির কারণে পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি পাবে। পরিবহন ব্যয় বাড়লে কৃষিপণ্য, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য, নির্মাণসামগ্রীসহ প্রায় সব ধরনের পণ্যের বাজারে এর প্রভাব পড়বে। এর মধ্যে আবার বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির ফলে উৎপাদন ব্যয়ও বাড়বে, যা মূল্যস্ফীতিকে আরও উসকে দেবে। জ্বালানি তেলের পর ভোক্তা পর্যায়ে ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১,৮৮৫ টাকা দাম নির্ধারণ করে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। এরআগে মার্চ মাসে ১২ কেজি এলপি গ্যাস সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৩৪১ টাকায় অপরিবর্তিত রাখা হয়েছিল। এবার পাইকারি ও গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের বাড়তি মূল্যে গ্রাহকরা এখন দিশাহারা। সরকারের এমন কৌশলগত সিদ্ধান্তে বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধিও কারণে সবচেয়ে চাপে পড়ছেন নিম্নমধ্যবিত্ত ও মধ্যবিত্তরা। কথা হয় রামপুরার টেলিভিশন সেন্টারের পাশের গলির বাসিন্দা শুক্কুর আলী এর সঙ্গে।

তিনি বলেন, এমনিতেই বাজারে জিনিসপত্রের দাম বেশি। নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো হিমশিম খাচ্ছে। তেলের দাম বাড়ায় পরিবহন খরচ বাড়বে, তার প্রভাব বাজারেও পড়বে। এর সঙ্গে বিদ্যুতের বিল বাড়লে চাপ আরও বাড়বে। শুক্কুর আলীর সঙ্গে সুর মিলিয়ে কথা বলেছেন মগবাজারের মধুবাগের বাসিন্দা আকবর আলী। তারমতে, সরকারের ১০৬ দিনের মধ্যে সবকিছুই দাম বাড়িয়ে চিড়েচ্যাপ্টা ও দিশেহারার মধ্যে ফেলে দিচ্ছে। নিকুঞ্জ এলাকায় বসবাস করেন বেসরকারি চাকরিজীবী রেহানা সুলতানা। তিনি বলেন,আমরা এমনিতেই খরচ সামলাতে পারছি না। তেলের দাম বাড়ায় বাসাভাড়া ও পণ্যের দাম বাড়বে। এর মধ্যে বিদ্যুতের দাম বাড়লে দোকানদাররাও নতুন করে দাম বাড়ানোর সুযোগ নেবে। ইতোমধ্যে লন্ড্রির দোকানগুলো কাপড়প্রতি দুই টাকা বাড়িয়েছে। মুগদা এলাকার বাসিন্দা সাজ্জাদ হোসেন বলেন, বাজারে নিত্যপণ্যের দাম এমনিতেই সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো মাস শেষে হিসাব মেলাতে হিমশিম খাচ্ছে। তেলের দাম বৃদ্ধির কারণে পরিবহন ব্যয় বাড়বে, তার প্রভাব বাজারে পড়বে। এর মধ্যে বিদ্যুতের বিলও বেড়ে গেল। এখনো তো সংসারের খরচ আরও বেড়ে যাবে। একইকথা বললেন জবির শিক্ষার্থী জোসনা আহমেদ পারুল। তিনি বলেন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির মধ্যে জ্বালানি ও বিদ্যুতের দাম বাড়ানো সাধারণ মানুষের জন্য বড় ধরনের চাপ। কয়েকদিন আগে তেলের দাম বেড়েছে, এখন বিদ্যুতের দামও বাড়ল। এটি যেন মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘা। অনেক এলাকায় এখনো নিয়মিত লোডশেডিং হচ্ছে। সেবার মান না বাড়িয়ে শুধু দাম বাড়ানো মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য নয়।

বেসরকারি চাকরিজীবী রাহনুমা আলম বলেন, নির্দিষ্ট আয়ের মানুষদের জন্য এই মূল্যবৃদ্ধি সবচেয়ে বেশি কষ্টের। আমরা এমনিতেই খরচ সামলাতে পারছি না। তেলের দাম বাড়লে বাসাভাড়া, পরিবহন ব্যয় ও পণ্যের দাম বাড়ে। এখন বিদ্যুতের দামও বাড়ানো হয়েছে। এতে ব্যবসায়ীরা আরও দাম বাড়ানোর সুযোগ পাবে। কথা হয় জ্বালানি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. এম শামসুল আলম এর সঙ্গে। তিনি বলেন, স্বাধীন ও নিরপেক্ষ নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠান হিসেবে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষার পরিবর্তে আমলাতান্ত্রিক সংস্কৃতির চর্চা করছে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব নিয়ে গণশুনানি হলেও দাম কমানোর প্রস্তাব নিয়ে কখনো গণশুনানি হয় না কেন? জনগণের পক্ষ থেকে ব্যয় কমিয়ে মূল্য কমানোর বিভিন্ন প্রস্তাব দেওয়া হলেও সেগুলো গুরুত্ব পায় না বরং ব্যয় বৃদ্ধির যুক্তিগুলোই বেশি গুরুত্ব পায়।

তিনি বলেন, বিদ্যুৎ খাতে সুশাসন প্রতিষ্ঠা, দুর্নীতি ও অপচয় কমানো এবং অপ্রয়োজনীয় ব্যয় নিয়ন্ত্রণ করা গেলে গ্রাহকদের ওপর নতুন করে মূল্যবৃদ্ধির চাপ সৃষ্টি করার প্রয়োজন হতো না।

এ বিষয়ে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) ফেলো ড. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতায় জ্বালানি আমদানির ব্যয় বেড়েছে। ফলে সরকারকে বেশি দামে জ্বালানি কিনতে হচ্ছে এবং ঋণের ওপরও নির্ভর করতে হচ্ছে। তিনি বলেন, বর্তমান রাজস্ব আহরণের বাস্তবতায় মূল্য সমন্বয় এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ সরকারের খুব বেশি ছিল না। তবে এর সরাসরি প্রভাব পড়বে সাধারণ ভোক্তাদের ওপর। তিনি বলেন, মূল্যস্ফীতির চাপে সাধারণ মানুষের জীবনমান এমনিতেই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এর মধ্যে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি সেই চাপকে আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।

কথা হয় কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)-এর ভাইস প্রেসিডেন্ট এস এম নাজের হোসাইন এর সঙ্গে। তিনি বলেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি দেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি। এসব খাতের মূল্যবৃদ্ধি শিল্প, কৃষি, পরিবহন থেকে শুরু করে ব্যক্তি জীবন পর্যন্ত সবক্ষেত্রেই নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। তিনি অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে জ্বালানি খাতে সিস্টেম লস, দুর্নীতি, অনিয়ম এবং ক্যাপাসিটি চার্জের মতো সমস্যার সমাধান হয়নি। কিন্তু সেই অদক্ষতার দায় শেষ পর্যন্ত গ্রাহকদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, বিশ্বের অনেক দেশে নিম্ন আয়ের গ্রাহকদের জন্য বিশেষ সহায়তা বা বিল মওকুফের ব্যবস্থা রয়েছে। সেখানে ভর্তুকি কমানোর যুক্তিতে ক্ষুদ্র গ্রাহকদের ওপর অতিরিক্ত ব্যয় চাপানো গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি আরও বলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগ ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার ঘাটতির কারণে ভবিষ্যতে জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়েও নতুন ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। একই কথা বলেছেন বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির সভাপতি হেলাল উদ্দিন।

তিনি বলেন, গত দুই মাসে ধারাবাহিকভাবে জ্বালানি তেল, গ্যাস এবং এখন বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে অস্বস্তি ও উদ্বেগ বাড়ছে। তিনি বলেন, সরকার নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য বিভিন্ন সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি চালু করেছে। কিন্তু একদিকে সহায়তা দিয়ে অন্যদিকে বিদ্যুৎ, গ্যাস ও জ্বালানির দাম বাড়ালে সেই সহায়তার কার্যকারিতা অনেকটাই কমে যায়। নিত্যপণ্যের দাম এখনো সহনীয় পর্যায়ে নামেনি। এর মধ্যে বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দাম বাড়লে জীবনযাত্রার ব্যয় আরও বৃদ্ধি পাবে। তিনি বলেন, বিদ্যুৎ খাতের সিস্টেম লস নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে বিতরণ ব্যবস্থার অদক্ষতার বোঝা শেষ পর্যন্ত গ্রাহকদের ওপর চাপানো হচ্ছে। সিস্টেম লস কমানোর কার্যকর উদ্যোগ ছাড়া বারবার মূল্যবৃদ্ধি যৌক্তিক নয়।

তবে বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্তকে জনস্বার্থবিরোধী উল্লেখ করেছেন বাংলাদেশ সাধারণ নাগরিক সমাজের আহ্বায়ক মহিউদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, গণশুনানিতে ভোক্তা ও নাগরিকদের আপত্তি উপেক্ষা করেই মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এতে অর্থনৈতিক বাস্তবতায় এই সিদ্ধান্ত সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় আরও বাড়িয়ে দেবে বলে মনে করেন তিনি। জাতীয় সংসদের প্রধান বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার সরকারের এই সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করেছেন। একইসঙ্গে বর্ধিত মূল্য প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন তিনি।

জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে মানুষের জীবন যখন দুর্বিষহ, তখন বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি সাধারণ মানুষের ওপর নতুন বোঝা চাপিয়ে দিয়েছে। তবে বিইআরসি চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ বলেন,সবকিছু যাচাই-বাছাই করেই কমিশন নতুন মূল্যহার নির্ধারণ করেছে। তার তথ্য অনুযায়ী, পাইকারি বিদ্যুতের গড় মূল্য ইউনিটপ্রতি ৭ টাকা থেকে ৮ টাকা ৩৯ পয়সা করা হয়েছে। এতে প্রায় ১৪ হাজার ২০০ কোটি টাকা অতিরিক্ত রাজস্ব আসবে। তারপরও সরকারকে প্রায় ৪১ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দিতে হবে। তিনি জানান, সরকারি বিদ্যুৎ কোম্পানিগুলোর রেট অব রিটার্ন ১২ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৬ শতাংশ করা হয়েছে।

দেশপক্ষ/ এমএইচ

নিউজটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

ট্যাগঃ