
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার চিনাইরে শহীদ মীর মুগ্ধের স্মৃতিস্তম্ভে কালি দিয়ে ঢেকে দেওয়ার ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। সোমবার রাত থেকে মঙ্গলবার ভোরের কোনো এক সময় এ ঘটনাটি ঘটে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
চিনাইর আঞ্জুমান আরা স্কুল অ্যান্ড কলেজের সামনে স্থাপিত এই স্মৃতিস্তম্ভটি ৫ আগস্টের ঘটনার পর নতুনভাবে নির্মিত হয়। ওই সময় শেখ মুজিবুর রহমানের একটি ছবি ক্ষতিগ্রস্ত হলে সেখানে মীর মুগ্ধের ছবি সংযোজন করা হয়।
এলাকাবাসীর ভাষ্যমতে, কিছুদিন আগে অনুষ্ঠিত একটি অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে চিনাইরে দ্বন্দ্ব তৈরি হয়। একাধিক সূত্র জানিয়েছে, এই বিরোধ থেকেই স্মৃতিস্তম্ভে কালি লাগানোর ঘটনা ঘটেছে এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে কাউকে ফাঁসাতে এই কাজ করা হতে পারে।
মুগ্ধমঞ্চ তৈরির অন্যতম উদ্যোক্তা ও জেলা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক উজ্জল আহমেদ বলেন, “আমরা এই ঘটনায় গভীরভাবে মর্মাহত। শহীদ মীর মুগ্ধ ছিলো আমাদের আত্মত্যাগের প্রতীক, তার স্মৃতিকে এভাবে অপমান করা কোনভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।”
স্থানীয়দের একাংশ দোষীদের দ্রুত চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে। ঘটনাস্থলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পরিদর্শন করেছে বলেও জানা গেছে।
দেশপক্ষ/ এমএইচ









