
গোপালগঞ্জ-৩ আসনের (টুঙ্গিপাড়া-কোটালীপাড়া) স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বহিষ্কৃত বিএনপি নেতা হাবিবুর রহমান হাবিব বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কবর জিয়ারতের মাধ্যমে তাঁর নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেছেন। তবে প্রশাসনিক অনুমতি না পাওয়ায় তিনি সমাধিসৌধের ভেতরে প্রবেশ করতে পারেননি।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সকাল ১১টার দিকে টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিসৌধের ৩ নম্বর গেটের সামনে দাঁড়িয়ে তিনি কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে কবর জিয়ারত করেন। এরপর সেখান থেকেই নিজের নির্বাচনী প্রতীক ‘ফুটবল মার্কা’ নিয়ে প্রচারণা কার্যক্রম শুরু করেন।
প্রচারণার অংশ হিসেবে পরে তিনি টুঙ্গিপাড়া উপজেলা পরিষদ চত্বর ও পাটগাতী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় গণসংযোগ করেন এবং সাধারণ ভোটারদের কাছে ভোট ও সমর্থন চান।
এর আগে হাবিব গওহরডাঙ্গা খাদেমুল ইসলাম মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা আল্লামা শামছুল হক ফরিদপুরীর কবর জিয়ারত করেন।
সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে হাবিবুর রহমান বলেন, গোপালগঞ্জ-৩ আসন দেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি এলাকা। এই এলাকার মাটিতেই শায়িত আছেন স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং আলেম সমাজের প্রখ্যাত ব্যক্তিত্ব আল্লামা শামছুল হক ফরিদপুরী। এই দুই মনীষীর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি তার নির্বাচনী যাত্রা শুরু করেছেন বলে জানান।
তিনি আরও বলেন, প্রশাসনের অনুমতি না থাকায় সমাধিসৌধের ভেতরে গিয়ে বঙ্গবন্ধুর কবর জিয়ারত করা সম্ভব হয়নি, তাই গেটের বাইরে দাঁড়িয়েই শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন।
নিজের রাজনৈতিক অবস্থান প্রসঙ্গে হাবিব বলেন, অতীতে তিনি ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং টুঙ্গিপাড়া ছাত্রদলের সভাপতির দায়িত্বও পালন করেছেন। পাশাপাশি জেলা বিএনপির সদস্য হিসেবেও কাজ করেছেন। তবে অনেক আগেই তিনি বিএনপির রাজনীতি ছেড়ে দিয়েছেন এবং ডাকযোগে দলের মহাসচিব বরাবর পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন বলে দাবি করেন।
হাবিব বলেন, গোপালগঞ্জ-৩ আসনে দীর্ঘদিন ধরে চলমান সব ধরনের অন্যায় ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে অবস্থান নিতেই তিনি নির্বাচনে দাঁড়িয়েছেন। নির্বাচিত হলে টুঙ্গিপাড়া ও কোটালীপাড়ার দরিদ্র ও খেটে খাওয়া মানুষের অধিকার আদায়ে জাতীয় সংসদে সোচ্চার ভূমিকা রাখবেন বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
এমএইচ









