
মাওতাইল মেডিকেলের কাছাকাছি অবস্থিত আসমা আলী ফিলিং স্টেশনকে ঘিরে তৈরি হয়েছে তীব্র অসন্তোষ। অভিযোগ উঠেছে, স্টেশনটির মালিক কবির হোসেন ইচ্ছাকৃতভাবে তেল সরবরাহে অনিয়ম করছেন, যার ফলে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও তেল পাচ্ছেন না বাসচালক ও পরিবহন শ্রমিকরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বিভিন্ন পরিবহন কোম্পানির বাস তেলের জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে থাকে। কিন্তু লাইনে থাকা সত্ত্বেও অনেক সময় তেল দেওয়া হয় না। অভিযোগ রয়েছে, স্টেশন মালিক নিজে সামনে চেয়ার নিয়ে বসে থাকেন এবং নির্দিষ্ট কিছু পরিবহন ছাড়া অন্যদের তেল দেন না।
ভুক্তভোগী এক বাসচালক জানান, “ঘন্টার পর ঘন্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকি, কিন্তু তেল পাই না। পরে বলা হয়, যদি কোম্পানি ২০ লাখ টাকা ডিপোজিট দেয়, তাহলে নিয়মিত তেল পাওয়া যাবে।”
আরেক পরিবহন মালিক অভিযোগ করে বলেন, “এভাবে ডিপোজিটের নামে টাকা দাবি করা সম্পূর্ণ অবৈধ। এতে ছোট পরিবহন ব্যবসায়ীরা মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়ছে।”
স্থানীয়দের দাবি, এ ধরনের কর্মকাণ্ড শুধু ভোগান্তিই বাড়াচ্ছে না, বরং এলাকায় জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থার ওপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। তারা দ্রুত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এদিকে, সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, লিখিত অভিযোগ পেলে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
দেশপক্ষ/ এমএইচ








