
শরীয়তপুরের নড়িয়ায় পদ্মা নদী থেকে বালু উত্তোলন বন্ধের আহবান জানিয়েছেন সাবেক পানি সম্পদ উপমন্ত্রী ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক একেএম এনামুল হক শামীম। বৃহস্পতিবার (২০ মে) রাতে তিনি তার ভেরিভাইড ফেসবুকে পেইজে এক পোস্টে এ আহবান জানান।
তিনি তার ফেসবুক পোস্টে লিখেন, “অবিলম্বে নড়িয়ায় বালি উত্তোলন বন্ধ করে শরীয়তপুরবাসীকে নদী ভাঙ্গনের হাত থেকে রক্ষা করুন।
শরীয়তপুর-২ (নড়িয়া-সখিপুর) আসনের সাবেক এই সংসদ সদস্য আরও লিখেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা-এর সময় উপযোগী সিদ্ধান্ত এবং সুদৃঢ় পদক্ষেপের কারণে আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি শরীয়তপুরের নড়িয়াকে ৫০ বছরের ভাঙন রোধ করে পর্যটন কেন্দ্রে উন্নীত করা সম্ভব হয়েছে।
জীবনের ঝুঁকি নিয়ে শ্রমিকের মতো কাজ করে আমরা সমগ্র শরীয়তপুরবাসীকে উপহার দিয়েছি জয় বাংলা এভিনিউ (নড়িয়া), স্বাধীন বাংলা এভিনিউ (নওপাড়া-চরআত্রা), সোনার বাংলা এভিনিউ (সখিপুর), রূপসী বাংলা এভিনিউ (জাজিরা)। এর মধ্যে সোনার বাংলা এভিনিউ (সখিপুর), রূপসী বাংলা এভিনিউ (জাজিরা) প্রকল্প এর কাজ বর্তমানে চলমান রয়েছে এবং নদী ভাঙ্গনের হাত থেকে কাঁচিকাটাকে রক্ষা করার জন্য ৫০ কোটি টাকার প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছিল।
সমগ্র শরীয়তপুরবাসীকে উপহার দিয়েছি জয় বাংলা এভিনিউ (নড়িয়া), স্বাধীন বাংলা এভিনিউ (নওপাড়া-চরআত্রা), সোনার বাংলা এভিনিউ (সখিপুর), রূপসী বাংলা এভিনিউ (জাজিরা)। এর মধ্যে সোনার বাংলা এভিনিউ (সখিপুর), রূপসী বাংলা এভিনিউ (জাজিরা) প্রকল্প এর কাজ বর্তমানে চলমান রয়েছে এবং নদী ভাঙ্গনের হাত থেকে কাঁচিকাটাকে রক্ষা করার জন্য ৫০ কোটি টাকার প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছিল।
বেশ কিছুদিন ধরে একটি মহল নড়িয়ায় পদ্মা নদীতে নিয়মবহির্ভূতভাবে প্রকাশ্যে বালু উত্তোলনের মহোৎসবে মেতেছে। এতে নড়িয়া, জাজিরা, কাঁচিকাটা, চরআত্রা-নওপাড়া এর নদীতীরবর্তী বেড়িবাঁধ, বসতঘর ও বিস্তীর্ণ ফসলি জমি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়ার চরম ঝুঁকিতে পড়েছে। বিশেষ করে নদী থেকে গভীরভাবে বালু উত্তোলনের কারণে আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন সমগ্র শরীয়তপুরের নদী ভাঙ্গন কবলিত এলাকার মানুষ।
আমি প্রশাসনের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছি, অতি দ্রুত এ বালু উত্তোলনের মহোৎসব বন্ধ করে নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়া থেকে শরীয়তপুরবাসীকে রক্ষা করুন।
প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকেই এনামুল হক শামীম আত্মগোপনে রয়েছেন।
দেশপক্ষ/ এমএইচ









