
বিশ্বকাপে দুর্দান্ত খেলে আর্জেন্টিনাকে কোয়ার্টার ফাইনালে নিয়ে গেছেন আটবারের ব্যালন ডি’অর জয়ী মহাতারকা লিওনেল মেসি। এর মধ্যেই তৈরি হয়েছে এক ম্যাচ নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকি।
আর্জেন্টিনা ফাইনালে গেলে ১৯ জুলাই পর্যন্ত খেলতে হবে। তার ১০ দিন পর ২৯ জুলাই মেজর লিগ সকার লিগে অল-স্টার ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। আর্জেন্টিনা যদি বিশ্বকাপের ফাইনালে পৌঁছায়, তবে তিনি ক্লান্তি বা বিশ্রামের কারণে এমএলএস অল-স্টার ম্যাচ মিস করতে পারেন। এতে নিষিদ্ধ হওয়ার ঝুঁকিতে পড়ছেন এই মহাতারকা।
এমএলএস-এর নিয়ম অনুযায়ী, কোনো খেলোয়াড় উপযুক্ত বা অনুমোদিত মেডিকেল কারণ ছাড়া অল-স্টার ম্যাচে অংশ না নিলে, পরবর্তী লিগের জন্য তাকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে এক ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। খবর বোলাভিপ-এর।
গত বছরও অত্যধিক ক্লান্তির কারণে অল-স্টার গেম থেকে ছুটি নেওয়ায় মেসি এবং তার ইন্টার মায়ামি সতীর্থ জর্দি আলবাকে এক ম্যাচের এমএলএস নিষেধাজ্ঞা পোহাতে হয়েছিল।
চলতি ২০২৬ বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা এরই মধ্যে কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে, যেখানে তারা সুইজারল্যান্ডের মুখোমুখি হবে। টুর্নামেন্টে ৮ গোল নিয়ে মেসি দুর্দান্ত ফর্মে রয়েছেন।
২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ যেন লিওনেল মেসির আরেকটি ইতিহাস লেখার মঞ্চ হয়ে উঠেছে। এবারের বিশ্বকাপে তিনি গড়েছেন একের পর এক নতুন কীর্তি, যেগুলোর অনেকগুলোই হয়তো দীর্ঘদিন অক্ষত থাকবে। লিওনেল মেসির সামনে এখন জাস্ট ফন্টেইনের বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড ভাঙার সুযোগ। বিশ্বকাপের শেষ ১৬ পর্ব শেষে টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ গোলদাতা আর্জেন্টিনার অধিনায়ক। মিসরের বিপক্ষে ভলি থেকে গোল করে তার গোল সংখ্যা ৮ এ পৌঁছেছে।
এখন মেসির সামনে ফরাসি কিংবদন্তি জাস্ট ফন্টেইনের রেকর্ড। ১৯৫৮ সালের সুইডেন বিশ্বকাপে ফন্টেইন এক আসরে সর্বোচ্চ ১৩ গোল করেছিলেন। সেই রেকর্ড ভাঙতে মেসির প্রয়োজন আর ৫ গোল। সামনে আর্জেন্টিনার সম্ভাব্য তিনটি ম্যাচ রয়েছে—কোয়ার্টার ফাইনাল, সেমিফাইনাল ও ফাইনাল।
এবারের বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত চার ম্যাচে শুরুর একাদশে খেলে চারবারই ম্যাচসেরা হয়েছেন মেসি। গোলদাতার তালিকায় তার সবচেয়ে কাছাকাছি রয়েছেন ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পে ও নরওয়ের এরলিং হালান্ড, দুজনেরই গোল ৭টি। ইংল্যান্ডের হ্যারি কেইনের গোল ৬টি। এরা সবাই এখনে কোয়ার্টার ফাইনালে খেলার দৌড়ে রয়েছেন।
দেশপক্ষ/ এমএইচ







